এক ইনজেকশনেই নির্মূল হবে ক্যানসারের টিউমার
মেলবোর্ন, ১ জুন- ক্যানসার চিকিৎসায় বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখাচ্ছে নতুন একটি পরীক্ষামূলক ইনজেকশন। আন্তর্জাতিক এক ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে, ‘অ্যামিভান্টাম্যাব’ নামের এই ওষুধ কিছু…
মেলবোর্ন, ৩১ মে- অস্ট্রেলিয়ার ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশনের নেতা পলিন হ্যানসন জানিয়েছেন, তিনি ভবিষ্যতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছেন না। একই সঙ্গে আগামী ফেডারেল নির্বাচনে নিম্নকক্ষের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়টিও বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার স্কাই নিউজের ‘সানডে এজেন্ডা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পলিন হ্যানসন বলেন, দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা তার রয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দায়িত্বকে তিনি ছোট করে দেখেন না এবং নিজেকে কখনোই সেই পদে অযোগ্য মনে করেন না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়া নানা সংকটে রয়েছে এবং দেশের জন্য শক্তিশালী নেতৃত্ব প্রয়োজন।
তবে হ্যানসন স্পষ্ট করে বলেন, তার লক্ষ্য ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী হওয়া নয়; বরং দেশের নেতৃত্বে এমন কাউকে প্রতিষ্ঠিত করা, যিনি অস্ট্রেলিয়াকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে পারবেন। তিনি বলেন, যদি কখনো সুযোগ আসে, তাহলে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তিনি পিছিয়ে যাবেন না।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, ২০২৮ সালের ফেডারেল নির্বাচনে নিম্নকক্ষের একটি আসনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনাও তিনি বিবেচনা করছেন। তবে এ বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানান ওয়ান নেশন নেত্রী। তিনি বলেন, বিষয়টি এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং সময় হলে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
অস্ট্রেলিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সাধারণত প্রতিনিধি পরিষদ বা নিম্নকক্ষের সদস্যদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হন। তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য হ্যানসনের নিম্নকক্ষে নির্বাচিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এদিকে সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে ওয়ান নেশনের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে উঠে এসেছে। রেডব্রিজ গ্রুপ ও অ্যাকসেন্ট রিসার্চ পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, এখন নির্বাচন হলে দলটি প্রতিনিধি পরিষদে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন পেতে পারে। এমনকি বিরোধী নেতা অ্যাঙ্গাস টেলরের আসনও ওয়ান নেশনের প্রার্থীর কাছে চলে যেতে পারে বলে জরিপে আভাস দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অভিবাসন, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং জাতীয় পরিচয় ইস্যুকে সামনে রেখে ওয়ান নেশন সাম্প্রতিক সময়ে ভোটারদের একটি অংশের সমর্থন বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে পলিন হ্যানসনের এই মন্তব্য অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
যদিও প্রধান দুই দল লেবার পার্টি ও লিবারেল-ন্যাশনাল জোট এখনও দেশটির রাজনীতিতে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে, তবুও ওয়ান নেশনের উত্থান ভবিষ্যতের নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au