দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত বাংলাদেশির মৃত্যু
মেলবোর্ন, ৫ জুন- ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির মালভিয়া নগর এলাকায় একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় বিভিন্ন…
মেলবোর্ন, ৪ জুন- দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত থাকায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও এক শিশু। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৬০৫ জনে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫১৪ শিশু। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৯১ শিশু। ফলে হামে ও হামের উপসর্গজনিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০৫ জনে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ১ হাজার ১৩৬ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৭৫ হাজার ৭০৮ জনে পৌঁছেছে।
একই সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন করে ৬৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৯ হাজার ২৬০ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।
হামের বিস্তার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬১ হাজার ১৯৪ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৫৭ হাজার ৪৩ জন রোগী।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিভাগে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে হামের উপসর্গে মারা যাওয়া তিন শিশুর মধ্যে একজন সিলেট বিভাগের, একজন ময়মনসিংহ বিভাগের এবং একজন রংপুর বিভাগের বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। টিকাদান কর্মসূচির আওতা বৃদ্ধি, আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রোগটির বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম-রুবেলা টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি, কাশি ও চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন এবং রোগ প্রতিরোধে আরও জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au