রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ২০ জুলাই- ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও ফুটবল বিশ্বের শীর্ষে উঠেছে স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। অন্যদিকে, লিওনেল মেসির টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। পঞ্চম মিনিটেই লামিন ইয়ামালের শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এরপর ইয়ামাল, মিকেল ওইয়ারসাবাল, দানি অলমো ও মার্ক কুকুরেয়ার একের পর এক আক্রমণে চাপে পড়ে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ। তবে প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই। মাঝমাঠে রদ্রি ও দানি অলমোর দাপটে আর্জেন্টিনা খুব কমই আক্রমণ গড়ে তুলতে পেরেছে। একপর্যায়ে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেস। ফলে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে স্পেন গোল পেলেও ফাউলের কারণে সেটি বাতিল হয়। তবে তাতে দমে যায়নি স্প্যানিশরা।
ম্যাচের ১০৫তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বাম প্রান্ত থেকে নিকো উইলিয়ামসের দারুণ পাস পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে দেন ফেররান তোরেস। এই এক গোলেই নির্ধারিত হয়ে যায় বিশ্বকাপের ভাগ্য।
গোল হজমের পর শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসিকে ঘিরে কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় কোনো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়েন স্পেনের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকেরা। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট মাথায় তুলে নেয় স্পেন। আর লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনাকে রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শিরোপা জিতে স্পেন প্রমাণ করেছে, দলীয় সংহতি, শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল ও কার্যকর আক্রমণই তাদের সাফল্যের মূল শক্তি। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও অতিরিক্ত সময়ের একটি ভুলের খেসারত দিয়ে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতছাড়া করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au