রাজশাহীর পবায় শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতের রোকন আটক
মেলবোর্ন,০১আগস্ট: রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের একটি…
মেলবোর্ন, ৩১ জুলাই: সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এক ইয়াজিদি নারীকে দাস হিসেবে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত অস্ট্রেলীয় এক মা ও মেয়েকে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে পূর্ণাঙ্গ বিচার চেয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন ৫৪ বছর বয়সী কাউসার আহমাদ এবং তার ৩১ বছর বয়সী মেয়ে জেইনাব আহমাদ। এক দশকের বেশি সময় সিরিয়ায় থাকার পর গত ৭ মে তারা অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। এরপরই তাদের বিরুদ্ধে দাসত্ব ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
শুক্রবার মেলবোর্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হলে তাদের মামলাটি ভিক্টোরিয়া সুপ্রিম কোর্টে বিচারের জন্য পাঠানো হয়।
আদালতে কাউসার আহমাদ মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে দাসত্বে আবদ্ধ রাখা, দাসের মালিকানা রাখা, দাসকে কাজে লাগানো এবং দাস ব্যবসায় জড়িত থাকার চারটি অভিযোগ অস্বীকার করেন।
অন্যদিকে জেইনাব আহমাদ দাসত্বে আবদ্ধ রাখা এবং দাসকে কাজে লাগানোর দুটি অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

৩১ বছর বয়সী জেইনাব আহমাদ বর্তমানে হেফাজতে রয়েছেন। (আদালতের স্কেচ: অনিতা লেস্টার/নিউজওয়্যার)
পুলিশের অভিযোগ, ২০১৪ সালে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে সিরিয়ায় যান কাউসার ও জেইনাব। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে তারা আইএসে যোগ দেন।
তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের জুনে কাউসারের স্বামী এবং জেইনাবের বাবা মোহাম্মদ আহমাদ প্রায় ১০ হাজার মার্কিন ডলারে এক কিশোরী ইয়াজিদি মেয়েকে দাস হিসেবে কিনে আনেন।
বর্তমানে ইরাকে আটক থাকা মোহাম্মদ আহমাদের বিরুদ্ধে এ মামলায় কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ওই কিশোরীকে বলেছিলেন, তাকে যৌন নির্যাতন ও গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যেই কেনা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, ওই ইয়াজিদি নারী শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন। পরে ২০১৮ সালের দিকে তাকে আরেক আইএস সদস্যের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, কাউসার আহমাদ তাকে প্রায়ই মারধর বা অন্যের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার হুমকি দিতেন। আর জেইনাব আহমাদ তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন এবং বাবা-মা বাড়িতে না থাকলে তিনিই বাড়ির দায়িত্বে থাকতেন।
তদন্তে আরও বলা হয়েছে, ওই ইয়াজিদি নারীকে মোট সাতবার বিভিন্ন আইএস সদস্যের কাছে কেনাবেচা করা হয়। পরে ২০১৯ সালে কুর্দি বাহিনী তাকে উদ্ধার করে মুক্ত করে।
মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ২১ আগস্ট ভিক্টোরিয়া সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র:নিউজ ডটকম অস্ট্রেলিয়া
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au