ভারত থেকে ২.৩ টন কাঁদানে গ্যাস আমদানি করল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ কাঁদানে গ্যাসের শেল আমদানি করা হয়েছে। সম্ভাব্য রাজনৈতিক বিক্ষোভ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে…
মেলবোর্ন, ৯ আগস্ট: বলিউড অভিনেতা সালমান খানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করা চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্ত তাঁর অভিযোগ নিয়ে নতুন করে মুখ খুলেছেন। তাঁর দাবি, সালমান খানের ব্র্যান্ড ‘বিইং হিউম্যান’-এর গয়নার শোরুম চালুর জন্য প্রায় তিন কোটি রুপি বিনিয়োগ করে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এমনকি এই আর্থিক সংকটের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হলেও সালমান খান কিংবা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কেউ তাঁর খোঁজ নেননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
দৈনিক ভাস্করের প্রতিবেদনের বরাতে জানা যায়, চণ্ডীগড়ের মানিমাজরায় ‘বিইং হিউম্যান’ গয়নার শোরুম খোলার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন অরুণ। ব্যবসা সফল হবে এবং সংস্থার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যাবে, এমন আশ্বাসের ভিত্তিতেই তিনি বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেন বলে দাবি তাঁর।
অরুণের ভাষ্য, শোরুম প্রতিষ্ঠা ও ব্যবসা পরিচালনায় সব মিলিয়ে প্রায় তিন কোটি রুপি খরচ হয়েছিল। এর মধ্যে শুধু শোরুম তৈরিতেই প্রায় এক কোটি রুপি ব্যয় করেন তিনি। তবে চুক্তি অনুযায়ী নিজের দায়িত্ব পালন করলেও শোরুম চালুর পর সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছ থেকে প্রতিশ্রুত সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ তাঁর।
ব্যবসায়ীর দাবি, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বিইং হিউম্যানের গয়না সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তাঁর শোরুমে পণ্য সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্যবসা কার্যত ক্ষতির মুখে পড়ে।
অরুণের অভিযোগ, তাঁকে ব্যবসার সম্ভাবনা সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়েছিল। পরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে ২০২১ সালে সালমান খান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।
সম্প্রতি চণ্ডীগড়ের একটি আদালত সালমান খান, তাঁর বোন আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার পরিচালকদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৫ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও জানিয়েছেন অরুণ। তাঁর দাবি, ব্যবসায় বিনিয়োগের পর আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার পাশাপাশি তিনি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন। কিন্তু এত কিছুর পরও সালমান খান কিংবা তাঁর প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কেউ তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
তবে অরুণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। তাদের দাবি, ২০১৮ সালের ওই চুক্তিতে সালমান খানের সরাসরি কোনো ভূমিকা ছিল না। ২০১৫ সালে সালমান খান ফাউন্ডেশন শুধু ‘বিইং হিউম্যান’ ব্র্যান্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল ‘স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’কে। গয়নার ব্যবসা পরিচালনা, বিপণন ও বিক্রির দায়িত্ব ছিল ওই প্রতিষ্ঠানের।
এখন মামলার পরবর্তী শুনানিতে সালমান খান, আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার পরিচালকদের বক্তব্য কী আসে, সেদিকেই নজর থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au