কিম জং উনের স্বাস্থ্য নিয়ে গুঞ্জন, কী জানা যাচ্ছে?
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনা ছড়িয়েছে। সম্প্রতি তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে কোমায় আছেন বলে কিছু…
মেলবোর্ন, ৯ আগষ্ট: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার মুরইছড়া সীমান্তের ওপারে ভারতের মাগুরুলি এলাকায় বিএসএফের গুলিতে তারা মিয়া (১৯) নামে এক বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তারা মিয়া কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালিকের ছেলে।
ঘটনার পর তারা মিয়ার মরদেহ ভারতের ত্রিপুরা-সংলগ্ন উনকোটি জেলার ইরানি থানার মাগুরউলি এলাকায় রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৪৬ বিজিবির শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ।
বিজিবির এই কর্মকর্তা জানান, রোববার ভোরের দিকে কুলাউড়া সীমান্তের ওপারে ভারতের মাগুরুলি এলাকায় একদল ব্যক্তি চোরাইপণ্য নিয়ে যাওয়ার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে তারা মিয়া নিহত হন।
তিনি জানান, নিহত তরুণের বিরুদ্ধে চোরাচালানসংক্রান্ত একটি মামলা রয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি এবং গুলিবর্ষণের বিস্তারিত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছে বিজিবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা মিয়ার সঙ্গে মুরইছড়া বস্তির আরও কয়েকজন ব্যক্তি ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলেন। তাদের মধ্যে কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া বস্তির বাসিন্দা কানু মিয়ার ছেলে রেনু মিয়া (৩৬), রইস আলীর ছেলে সুমন মিয়া (১৮) এবং রইস আলী ছিলেন বলে জানা গেছে।
তারা মিয়া ও তার সহযোগীরা ভারতীয় অংশে সিগারেট, নাসির বিড়িসহ বিভিন্ন চোরাইপণ্য আনার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। একপর্যায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল দলের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিএসএফ তাদের গতিরোধের চেষ্টা করলে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে তারা মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আত্মগোপনে চলে যান।
ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নিহতের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, গুলিবর্ষণের পরিস্থিতি এবং সীমান্তে ওই ব্যক্তিদের প্রবেশের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে বিজিবি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au