দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় ফিরছেন কোয়েল-পরমব্রত জুটি
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্টঃ দীর্ঘদিন পর আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি কোয়েল মল্লিক ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘হইচই’-এর নতুন একটি চলচ্চিত্রে…
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্টঃ ভারতের স্বাধীনতা দিবসের আগে সম্ভাব্য ‘ধ্বংসাত্মক হামলা’ নস্যাৎ করে পাকিস্তান-সমর্থিত ২০০ জনের বেশি মিলিশিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভারতের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা ১৪টি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১২ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের তিন দিন আগে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় ধরপাকড় অভিযান হিসেবে এটিকে উল্লেখ করা হয়েছে।
অমিত শাহের দাবি, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর মদদপুষ্ট একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, স্বাধীনতা দিবসের আগেই মোদি সরকার আইএসআই-সমর্থিত ‘শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক’ নামের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, ২০০ জনের বেশি সদস্যকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে গোষ্ঠীটির ‘ধ্বংসাত্মক পরিকল্পনা’ নস্যাৎ করা হয়েছে। অভিযানে পিস্তল, গুলি, পাকিস্তানের সামরিক কারখানার সিলমোহরযুক্ত গ্রেনেড এবং বোমাসদৃশ বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে ভারতের এসব অভিযোগ নিয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভারতে বিভিন্ন হামলায় জড়িত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তার অভিযোগ পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই অস্বীকার করে আসছে।
ভারত ও পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের বিরুদ্ধে নিজ নিজ দেশে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগ করে আসছে। পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিশেষ করে কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা রয়েছে।
গত বছর ভারত-অধিকৃত কাশ্মীরের একটি পর্যটনকেন্দ্রে হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানি হামলাকারীদের দায়ী করেছিল নয়াদিল্লি। এর পর ভারত ও পাকিস্তান চার দিনের সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। পরে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বন্ধে সমঝোতা হয়।
ভারতের স্বাধীনতা দিবসের আগে এবারের এই অভিযানকে তাই নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর বাড়তি নজরদারির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের বিষয়ে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত যাচাইয়ের তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au