নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই:কাদায় চাপা পড়েছে সব, ভেঙেছে ছাদও
নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের যে সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আর কেউ বেঁচে নেই বলে নিশ্চিত হয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সুড়ঙ্গের শেষ…
মেলবোর্ন, ২২ আগষ্ট- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। শুক্রবার ভারতীয় গণমাধ্যমে ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফরের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকার পক্ষ থেকে এ অবস্থান জানানো হয়।
দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশ বাংলাদেশ ও ভারত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা করছে। গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হবে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তা কমিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
তারেক রহমানের প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ বলেন, ‘সফরের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’ তিনি জানান, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের অবস্থানের জন্য ঢাকা অপেক্ষা করছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তবে গত সপ্তাহে বাংলাদেশ জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য আরও ইতিবাচক ও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন। শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার কয়েক দিন পর ঢাকার পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য করা হয়। শেখ হাসিনার ওই বক্তব্যেরও নিন্দা জানিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার।
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যান এবং বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন। তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য নয়াদিল্লির কাছে একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। ভারত জানিয়েছে, বাংলাদেশের অনুরোধটি তারা পর্যালোচনা করছে।
গত বছরের নভেম্বরে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় সহিংসতার ঘটনায় শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে শেখ হাসিনা ওই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। চলতি আগস্টের শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন।
এ পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে সফরের তারিখ, কর্মসূচি কিংবা সফরটি আদৌ হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au