টাইমস স্কয়ারে দুজনকে ছুরিকাঘাত, পুলিশের গুলিতে নারী আহত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বিখ্যাত টাইমস স্কয়ারে দুই ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতের পর পুলিশের গুলিতে এক নারী আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার এ ঘটনা ঘটে। আহত নারীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায়…
ভারতের উত্তরপ্রদেশের কোশাম্বী জেলায় একটি আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে কোশাম্বীর পিসরি থানা এলাকার মনোরি গ্রামের একটি আতশবাজির কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।
কোশাম্বীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অমিত পাল জানান, বিস্ফোরণের পর কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে প্রয়াগরাজের এসআরএন হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। আরও পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে।
কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের সবাই কারখানার আশপাশের এলাকায় বসবাস করতেন। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে কারখানাটি পুরোপুরি ধসে পড়ে। পাশাপাশি আশপাশের পাঁচ থেকে ছয়টি বাড়িও বিস্ফোরণের ধাক্কায় সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যায়।
স্থানীয় মনোরি পাওয়ার হাউসের কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরণটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে হতাহতদের উদ্ধারের কাজ শুরু করে। বিস্ফোরণের ভয়াবহতা বিবেচনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা।
এদিকে বিস্ফোরণের প্রভাব পড়েছে আশপাশের রেল যোগাযোগেও। নিরাপত্তার কারণে দুর্ঘটনাস্থলের কাছ দিয়ে যাওয়া দিল্লি-হাওড়া রেলপথে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আজমির-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাস্থলের কাছে পৌঁছালে সেটিকে ঘুরিয়ে মনোরি রেলওয়ে স্টেশনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। একইভাবে দিল্লি থেকে বারাণসীগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে দুর্ঘটনাস্থলের আগের স্টেশন সাইয়াদ সারওয়ানে থামিয়ে দেওয়া হয়।
বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারখানায় কীভাবে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলো এবং সেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au