ভারতকে নজরে রেখে সিলেটে বিজিবির ড্রোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে মানুষ ঠেলে দেওয়া ঠেকানো এবং সীমান্তে অননুমোদিত ড্রোনের প্রবেশ মোকাবিলায় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করেছে বর্ডার…
দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে সারা দেশের বিভিন্ন থানায় শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭টি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি হয়েছে। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭৫টি এবং মাসে দুই হাজারের বেশি শিশুর নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পুলিশের কাছে এসেছে।
তবে এই বিপুল সংখ্যার চেয়েও বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, জিডি হওয়ার পর এসব শিশুর কতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে, কতজন পরিবারের কাছে ফিরেছে এবং কতজনের সন্ধান এখনো মেলেনি। কারণ নিখোঁজের জিডির সংখ্যা পাওয়া গেলেও উদ্ধার ও দীর্ঘমেয়াদে নিখোঁজ থাকা শিশুদের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ, সমন্বিত ও নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য জনসমক্ষে না থাকায় প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হচ্ছে না।
সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে সাত মাসে প্রায় ১৬ হাজার শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য উঠে আসার পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, এত বিপুলসংখ্যক শিশুর নিখোঁজ হওয়ার তথ্য শিশু সুরক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা। একই সঙ্গে নিখোঁজ শিশুদের মধ্যে কতজন উদ্ধার হয়েছে এবং কতজন এখনো নিখোঁজ, সেই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সংখ্যার আড়ালে কোন গল্প?
একটি শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা সব সময় একই ধরনের নয়। কোনো শিশু খেলতে গিয়ে পরিবারের চোখের আড়ালে হারিয়ে যায়। কেউ আবার ভিড়ের মধ্যে বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বাস, ট্রেন কিংবা অন্য কোনো গণপরিবহন থেকে ভুল জায়গায় নেমে যাওয়ার পরও অনেক শিশু পরিবারের কাছে ফিরতে পারে না।
এর বাইরে রয়েছে প্রলোভন দেখিয়ে শিশু নিয়ে যাওয়া, অপহরণ, পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের আশঙ্কা। আবার পারিবারিক বিরোধ, শিশুর ওপর মানসিক চাপ, বকাঝকা কিংবা নিজের ইচ্ছায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
ফলে থানায় একটি জিডি হওয়ার পর সেটিকে শুধু একটি নিখোঁজের ঘটনা হিসেবে দেখলে প্রকৃত কারণ ও ঝুঁকি শনাক্ত করা কঠিন। প্রতিটি শিশুর ক্ষেত্রে তার বয়স, শেষ কোথায় দেখা গেছে, কার সঙ্গে ছিল, মোবাইল ফোন বা যোগাযোগের তথ্য, যাতায়াতের সম্ভাব্য পথ, পরিচিত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য গন্তব্য দ্রুত বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের প্রতিটি থানায় কি এমন সমন্বিত অনুসন্ধান ব্যবস্থা রয়েছে?
জিডি করলেই কি শুরু হয় পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান?
শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের প্রথম ভরসা পুলিশ। কিন্তু অনেক পরিবার অভিযোগ করে থাকে, নিখোঁজের পরপরই তারা যে মাত্রার তৎপরতা আশা করেন, বাস্তবে সব ক্ষেত্রে তা দেখা যায় না।
নিখোঁজের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সময়ের মধ্যে শিশুটি কোথায় আছে, কার সঙ্গে আছে বা কোন দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পাওয়া গেলে উদ্ধারের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
এই সময়কে অনেক ক্ষেত্রে উদ্ধার অভিযানের ‘গোল্ডেন আওয়ার’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু বাস্তবে একটি জিডি হওয়ার পর তথ্যটি কত দ্রুত পাশের থানায়, সীমান্তবর্তী থানায়, বাস ও রেলস্টেশনে, হাসপাতাল, শিশু আশ্রয়কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার কাছে পৌঁছায়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু জিডির খাতায় তথ্য নথিভুক্ত করে দায়িত্ব শেষ হলে নিখোঁজ শিশুকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
প্রযুক্তি আছে, কিন্তু ব্যবহার কতটা কার্যকর?
নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে প্রযুক্তির ব্যবহার যে কার্যকর হতে পারে, তার উদাহরণও রয়েছে।
পাঁচ বছরের মুসকান ও আট বছরের সাইফকে অপহরণের পর তাদের ছবি ও তথ্য দ্রুত প্রচার করা হয়েছিল। মুন অ্যালার্টের মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিলবোর্ডে শিশু দুটির ছবি প্রকাশের পর অপহরণকারীরা সদরঘাট এলাকায় তাদের রেখে পালিয়ে যায় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ একটি নিখোঁজ শিশুর ছবি, শেষ অবস্থান, পোশাকের বিবরণ এবং অন্যান্য শনাক্তকারী তথ্য দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছালে সাধারণ নাগরিকরাও অনুসন্ধানের অংশ হয়ে উঠতে পারেন।
বর্তমানে মুন অ্যালার্ট প্ল্যাটফর্মে নিখোঁজ শিশুদের তথ্য দ্রুত প্রকাশ, সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য, শনাক্তকারী বিবরণ এবং কেস ট্র্যাকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। প্ল্যাটফর্মটিতে পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, হাসপাতাল ও আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, এমন প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাগুলো কি দেশের প্রতিটি নিখোঁজ শিশুর ঘটনায় পুলিশের অনুসন্ধানের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত হচ্ছে?
আট বছর পরও কেন পাওয়া যায় শিশু?
নিখোঁজ শিশুদের একটি অংশ দ্রুত পরিবারের কাছে ফিরে এলেও সবাই এতটা ভাগ্যবান নয়।
সম্প্রতি নুরুন্নাহার নামে এক শিশুকে দীর্ঘ আট বছর পর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অনুসন্ধানের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। পরে তাকে তার মা ও স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের তথ্যেও নুরুন্নাহার নামে এক শিশুকে উদ্ধারের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তরের তথ্য রয়েছে।
এ ধরনের ঘটনা একদিকে আশার কথা বললেও অন্যদিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে। একটি শিশু যদি বছরের পর বছর কোনো আশ্রয়কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানে থাকে, তাহলে তার পরিবারের কাছে পৌঁছাতে এত সময় লাগে কেন?
একটি শিশু নিজের নাম, ঠিকানা বা পরিবারের পরিচয় ঠিকভাবে বলতে না পারলেও তার ছবি, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, বয়স, সম্ভাব্য এলাকা এবং উদ্ধারস্থানের তথ্য ধরে জাতীয় পর্যায়ে অনুসন্ধান চালানো সম্ভব কি না, সেই প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।
নিখোঁজ শিশুর তথ্যের জাতীয় ভাণ্ডার কোথায়?
একজন শিশু ঢাকা থেকে নিখোঁজ হয়ে কয়েক ঘণ্টা পর অন্য জেলায় চলে যেতে পারে। আবার কেউ সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়ে পড়তে পারে। কোনো শিশুকে কেউ উদ্ধার করে থানায় দিতে পারে, আবার পরিচয় না পাওয়ায় তাকে সরকারি বা বেসরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হতে পারে।
এখানেই আন্তঃথানা ও আন্তঃসংস্থা তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
এক থানায় করা জিডির তথ্য যদি অন্য থানার পুলিশ, হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে দ্রুত পৌঁছায় না, তাহলে একই শিশুকে নিয়ে একাধিক জায়গায় আলাদা অনুসন্ধান চলতে পারে, অথচ প্রকৃত পরিবার তার সন্ধান পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে পারে।
ফলে শিশু নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে তার ছবি, নাম, বয়স, শেষ অবস্থান, পোশাক, শনাক্তকারী চিহ্ন এবং যোগাযোগের তথ্য সংরক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, সেটিও খতিয়ে দেখা জরুরি।
সীমান্ত ও পাচারের ঝুঁকি
বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এর সঙ্গে শিশু পাচারের ঝুঁকিও জড়িত থাকতে পারে।
বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলা, বড় বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন এবং নদীপথ ব্যবহার করে শিশু এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় চলে যেতে পারে। তাই নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় শিশুর সম্ভাব্য যাতায়াতের পথ চিহ্নিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
কোনো শিশু যদি অপহরণের শিকার হয়ে থাকে, তাহলে সময় যত গড়ায় তাকে উদ্ধারের কাজ তত কঠিন হয়ে যেতে পারে। আর যদি সে ভুল করে অন্য এলাকায় চলে গিয়ে থাকে, দ্রুত ছবি ও পরিচয় ছড়িয়ে দেওয়া গেলে সাধারণ মানুষের সহায়তায় তাকে খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।
পরিবারের দায়ও কম নয়
শিশু নিখোঁজের প্রতিটি ঘটনা যে পুলিশের ব্যর্থতা, তা বলা যাবে না। অনেক ক্ষেত্রে শিশুর নিরাপত্তার বিষয়ে পরিবারের অসতর্কতাও ভূমিকা রাখতে পারে।
ছোট শিশুদের একা রাস্তায় যেতে দেওয়া, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে সতর্ক না করা, শিশুর সাম্প্রতিক ছবি সংরক্ষণ না করা কিংবা শিশুর চলাচল সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা তাই পরিবারকে শিশুদের চলাফেরা, পরিচিত-অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ এবং গণপরিবহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
তবে সচেতনতা শুধু পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। স্কুল, কোচিং সেন্টার, পরিবহনব্যবস্থা, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে একই ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।
জিডির সংখ্যা নয়, দরকার পূর্ণাঙ্গ হিসাব
১৫ হাজার ৭১৭টি জিডি মানে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু এখনো নিখোঁজ, এমনটি বলা যাবে না। একইভাবে একটি জিডি হওয়া মানেই অপহরণ বা অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেটিও নয়। কিন্তু এই সংখ্যাটি যে বড় ধরনের সতর্ক সংকেত, তাতে সন্দেহ নেই।
প্রকৃত পরিস্থিতি বুঝতে হলে অন্তত তিনটি তথ্য নিয়মিতভাবে প্রকাশ করা প্রয়োজন। প্রথমত, কত শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর জিডি হয়েছে। দ্বিতীয়ত, তাদের মধ্যে কতজনকে কত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। তৃতীয়ত, কতজন শিশু এক সপ্তাহ, এক মাস, ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে নিখোঁজ রয়েছে।
এর পাশাপাশি নিখোঁজের কারণভিত্তিক তথ্যও প্রয়োজন। কতজন ভুল করে হারিয়েছে, কতজন নিজের ইচ্ছায় বাড়ি ছেড়েছে, কতজন অপহরণের শিকার হয়েছে এবং কতজনের ক্ষেত্রে পাচার বা অপরাধের সন্দেহ রয়েছে, সেই তথ্য আলাদাভাবে প্রকাশ করা হলে সমস্যার প্রকৃত চিত্র অনেক পরিষ্কার হবে।
কোথায় ঘাটতি, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন
সাত মাসে ১৫ হাজার ৭১৭টি জিডি হওয়ার তথ্য সামনে আসার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তাই শুধু ‘কত শিশু নিখোঁজ?’ নয়।
প্রশ্ন হচ্ছে, নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় পুলিশ কী করে? কোন পদ্ধতিতে শিশুর শেষ অবস্থান শনাক্ত করা হয়? জিডির তথ্য কত দ্রুত অন্য থানায় পাঠানো হয়? সীমান্ত ও পরিবহনকেন্দ্রে কীভাবে সতর্কবার্তা পৌঁছায়? নিখোঁজ শিশুর ছবি ও তথ্য কত দ্রুত জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়? উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত শিশুদের তথ্যের সঙ্গে নিখোঁজ জিডির তথ্য কতটা নিয়মিত মিলিয়ে দেখা হয়? আর বছরের পর বছর নিখোঁজ থাকা শিশুদের মামলাগুলো কি নিয়মিত পুনরায় পর্যালোচনা করা হয়?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ছাড়া শুধু জিডির সংখ্যা প্রকাশ করলে সমস্যার গভীরতা বোঝা সম্ভব নয়।
শিশু নিখোঁজ হওয়ার প্রতিটি ঘটনা একটি পরিবারের জন্য ভয়াবহ সংকট। একটি শিশু হারিয়ে যাওয়ার পর তার পরিবার দিনের পর দিন পুলিশের দরজা, হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র ও বিভিন্ন স্থানে খোঁজ চালায়। কোথাও সন্তান ফিরে আসে কয়েক ঘণ্টায়, কোথাও কয়েক দিনে, আবার কোথাও বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়।
তাই ১৫ হাজার ৭১৭টি জিডির হিসাবকে কেবল একটি পরিসংখ্যান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি দেশের শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি বড় সতর্ক সংকেত। এখন প্রয়োজন জিডির সংখ্যা প্রকাশের পাশাপাশি প্রতিটি শিশুর পরবর্তী অবস্থার একটি স্বচ্ছ, যাচাইযোগ্য ও নিয়মিত হালনাগাদ চিত্র প্রকাশ করা। তাহলেই বোঝা যাবে, নিখোঁজ শিশুদের কতজন সত্যিই ফিরে আসছে আর কতজন হারিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় পরিসংখ্যানের আড়ালে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au