কোণঠাসা বিজেপি কি ফের কট্টর হিন্দুত্বের পথে?
টানা আড়াই দশক ধরে ভারতের রাজনীতিতে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নানা কারণে এখন কিছুটা চাপে। এই পরিস্থিতিতে দলটি আবারও কট্টর হিন্দুত্বের রাজনীতির…
কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া তিন কারাবন্দীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার পৃথক সময়ে তাঁদের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে দুজন হাজতি ও একজন কয়েদি। দুই হাজতির মৃত্যুর ব্যবধান ছিল ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।
মৃতরা হলেন আবুল বাশার (৫৮), আব্দুল কাইয়ম (৬২) ও মো. শাহাদত হোসেন লিটন (৫২)।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে কয়েকজন কারারক্ষী অসুস্থ আবুল বাশারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবুল বাশারের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামে। তাঁর বাবার নাম সেকেন্দার আলী। কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা একটি মামলায় তিনি হাজতি হিসেবে বন্দী ছিলেন।
অন্যদিকে, কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সকালে আব্দুল কাইয়মকে কয়েকজন কারারক্ষী ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। চিকিৎসকের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সকাল ৯টা ৫ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
আব্দুল কাইয়মের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলাই পদাবাজার গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মৃত দুদু মিয়া। তিনি আটটি মামলায় হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন।
এ ছাড়া কয়েদি শাহাদত হোসেন লিটনকে গত ২৮ আগস্ট অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৫০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল পৌনে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহাদত হোসেন লিটন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার মামলা নম্বর ৯(১১)০৬-এর ৩০২, ৩৪ ও ২০১ ধারার মামলায় বন্দী ছিলেন। তাঁর বাড়ি খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মৃত আব্দুল কাদের।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, তিনজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au