চুল কাটতে বেরিয়ে ৭ মাস পর এক পা হারিয়ে ফিরল রায়হান
মাত্র ১০০ টাকা নিয়ে চুল কাটতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছরের শিশু মোহাম্মদ রায়হান। এরপর কেটে যায় দীর্ঘ সাত মাস। অবশেষে গত ১৩ সেপ্টেম্বর…
কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবারের এই জয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকায় বার্সেলোনার সঙ্গে সমান পয়েন্টে উঠে এসেছে জোসে মরিনিওর দল।
আগের ম্যাচে রিয়াল বেতিসের কাছে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য ছিল রিয়ালের। ঘরের মাঠে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে তারা। প্রথমার্ধেই তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় রিয়াল।
১৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। ফ্লোরিয়ান লেজুন বক্সের মধ্যে আলভারো কারেরাসকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। স্পট কিক থেকে রায়োর গোলরক্ষক এমিল আউদেরোকে ভুল দিকে পাঠিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপ্পে।
দ্বিতীয় গোলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ফরাসি তারকার। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চাপে বল হারান লেজুন। এরপর এমবাপ্পের সঙ্গে পাস বিনিময় করে বল জালে পাঠান কারেরাস। ফলে দ্রুতই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ।
ম্যাচে রিয়ালের হয়ে প্রথমবার মূল একাদশে সুযোগ পান দলটির রেকর্ড অঙ্কের সাইনিং ইয়ান দিওমান্দে। ডান দিক দিয়ে দ্রুত গতিতে আক্রমণে উঠে শট নিলেও সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে ব্যবধান আরও বাড়ায় রিয়াল। বাঁ দিক থেকে বল নিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র তা বাড়িয়ে দেন জুড বেলিংহামের দিকে। সেখান থেকে গোল করে চলতি মৌসুমে নিজের তৃতীয় গোলটি করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার। ফলে বিরতিতে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল রিয়াল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে রায়ো ভায়েকানো। কয়েকটি আক্রমণও তৈরি করে তারা। ৫১ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে রিয়ালের জালে বল পাঠান সের্হিও কামেয়ো। এটি চলতি মৌসুমে তাঁর ষষ্ঠ গোল। এই গোলের পর এমবাপ্পে ও বার্সেলোনার রাফিনিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় উঠে আসেন তিনি।
গোল হজমের পর কিছুটা চাপে পড়ে যায় রিয়াল। রায়োর আরও কয়েকটি আক্রমণ সামাল দিতে হয় গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে। জর্জি সিতাইশভিলি ও ফ্লোরিয়ান লেজুনের শট ঠেকিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন তিনি।
ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনতে তুর্কি মিডফিল্ডার আরদা গুলেরকে মাঠে নামান কোচ জোসে মরিনিও। এরপর ধীরে ধীরে আবারও আক্রমণের ধার বাড়ায় রিয়াল।
ইনজুরি সময়ে আরদা গুলেরের সহায়তায় নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। নিচু ও কোনাকুনি শটে রায়োর গোলরক্ষককে পরাস্ত করে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে এটি এমবাপ্পের সপ্তম গোল।
ম্যাচে এমবাপ্পে আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন। দূরপাল্লার একটি শটে তাঁর বল গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। অন্যদিকে রায়োর পেদ্রো দিয়াসের একটি শটও পোস্টে লাগে।
এই জয়ের ফলে লা লিগার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্টে সমান হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে বার্সেলোনা রোববার লেভান্তের বিপক্ষে মাঠে নামবে। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত সব ম্যাচ জেতা বার্সেলোনা সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আবারও পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে যেতে চাইবে।
রিয়াল মাদ্রিদের পরবর্তী ম্যাচ মঙ্গলবার এলচের মাঠে। একই দিনে এস্পানিওলের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে খেলবে রায়ো ভায়েকানো।
এদিন লা লিগার অন্য ম্যাচে রেসিং সান্তান্দের ২-১ গোলে তৃতীয় স্থানে থাকা আলাভেসকে হারিয়েছে। ওসাসুনার মাঠে ২-০ গোলে জয় পেয়েছে এস্পানিওল। আর অ্যাথলেটিক বিলবাও নিজেদের মাঠে এলচের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au