জিন্নাহর পরিবার নিয়ে ফজলুর রহমানের মন্তব্য, ‘বাবা মাছ বিক্রি করতেন, ছিলেন হিন্দু’
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন এবং তাঁর পারিবারিক পরিচয় নিয়ে নানা ঐতিহাসিক তথ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি…
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানের ঘোষিত ‘ফুললি ফান্ডেড’ বা সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। অভিযোগ উঠেছে, পাঁচ বছরে ৫০০টি পূর্ণাঙ্গ স্কলারশিপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে টিউশন ও আবাসন খরচ ছাড়া অন্যান্য ব্যয় বহনের দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে।
গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফরে এসে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশক দার দুই দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে একটি শিক্ষা-সহযোগিতা উদ্যোগ বা ‘নলেজ করিডোর’ তৈরির ঘোষণা দেন। এর আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচ বছরে ৫০০টি পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি দেওয়ার কথা জানানো হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির আওতায় আসার কথা। বৃত্তির মধ্যে টিউশন ফি, হোস্টেল খরচ, সেটেলমেন্ট অ্যালাওয়েন্স এবং যাতায়াতের জন্য বিমান টিকিট দেওয়ার কথা ছিল।
ঘোষণার পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম ধাপের প্রায় ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ধাপে ধাপে পাকিস্তানে পৌঁছান। তাঁরা ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ বৃত্তির সুযোগ পাওয়ার প্রত্যাশায় সেখানে পড়াশোনা শুরু করেন।
তবে মে মাসে উদ্যোগটির দ্বিতীয় ধাপ শুরু হওয়ার পর বৃত্তির অর্থায়ন নিয়ে অভিযোগ করেন একাংশ শিক্ষার্থী।
তাঁদের দাবি, দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ এবং হোস্টেল ফি মওকুফের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু খাবার, মাসিক ভাতা, যাতায়াতসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বহন করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ ধরনের সুবিধা ঘোষিত ‘ফুললি ফান্ডেড’ স্কলারশিপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে পাকিস্তানে গিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশনের (এইচইসি) পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশন বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ‘সময়ের আলোকে’ জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
দুই দেশের শিক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর ঘোষিত উদ্যোগের আওতায় দেওয়া বৃত্তির অর্থায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় ধাপের শিক্ষার্থীরা এখন পাকিস্তান সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au