ফিল ওয়াহর ২১ বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু, শোকে রাগবি বিশ্ব
অস্ট্রেলিয়ার রাগবি অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাগবি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও সাবেক ওয়ালাবিস তারকা ফিল ওয়াহর বড় ছেলে জ্যাক ওয়াহ মারা গেছেন।…
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন এবং তাঁর পারিবারিক পরিচয় নিয়ে নানা ঐতিহাসিক তথ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরামের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে ফজলুর রহমান বলেন, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাড়ি ছিল গুজরাটে। তাঁর দাবি, জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন এবং তাঁর নাম ছিল ‘জিন্নাহ পুঞ্জা’। তিনি আরও দাবি করেন, জিন্নাহর পরিবার হিন্দু ছিল।
তবে ঐতিহাসিক জীবনী ও সরকারি পাকিস্তানি সূত্রে জিন্নাহর বাবা জিন্নাহভাই পুঞ্জাকে একজন ব্যবসায়ী বা বণিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর পরিবার ছিল গুজরাটের খোজা মুসলিম সম্প্রদায়ের। ঐতিহাসিক গবেষণায় খোজা সম্প্রদায়ের পূর্বপুরুষদের হিন্দু উৎস এবং পরবর্তী সময়ে ইসলাম গ্রহণের কথা উল্লেখ আছে।
জিন্নাহর রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, জিন্নাহ প্রথমে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন। ১৯১৬ সালের লখনৌ চুক্তিতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ফজলুর রহমান আরও বলেন, ১৯২৯ সালে জিন্নাহ ঘোষিত ১৪ দফায় মুসলমানদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী ও প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বাঙালি নেতাদের ভূমিকার প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় সবাই একসঙ্গে ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে পরে পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হলে বাঙালিরা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিবাদ শুরু করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। উদ্বোধক ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলফারুন নাহার রুমার সভাপতিত্বে এবং রবীন্দ্র সৃজন কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. নিজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাসহ অন্যরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au