নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে উচ্ছ্বাস কর্মকারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে…
গাজায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশের রাজধানীয় ঢাকায় ‘মার্চ ফর গাজা’ গণসমাবেশে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে।
শনিবার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত ‘মার্চ ফর গাজা’র ঘোষণাপত্রে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের চুক্তি বাতিল ও সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়াও ইসরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করা, গণহত্যা বন্ধে কার্যকর সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়েছে। পরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও শান্তি কামনায় কর্মসূচিতে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ’ ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে অংশ নেন আলেম-ওলামা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের লাখো জনতা। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ফিলিস্তিনের পক্ষে সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশে এটিই সবচেয়ে বড় কোনো আনুষ্ঠিক সমাবেশ।
বিকাল তিনটায় শুরু হওয়া গণজমায়েতে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান।
ঘোষণাপত্রে পাঁচ দফার কথা উল্লেখ করেন মাহমুদুর রহমান। সেগুলো হলো –
১) ইসরায়েলি হত্যাকাণ্ডের বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে।
২) যুদ্ধবিরোধী নয়; গণহত্যা মামলা দায়ের করে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
৩) ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে।
৪) পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে।
৫) ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সার্বভৌমত্বের নিশ্চিত করতে হবে।
বিকাল চারটার কিছু পরে ঘোষণাপত্র পাঠের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
এদিন সকাল থেকেই ‘মার্চ ফর গাজা’ গণজমায়েত কর্মসূচিতে যোগ দিতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল মানুষ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যেতে শুরু করেন। শাহবাগ ও আশপাশে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সমাবেশে আসা লাখো লাখো মানুষ গাজায় ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ উল্লেখ করেছেন। এ গণহত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেন তারা। একইসঙ্গে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফিলিস্তিন ইস্যুতে জোরালো কূটনৈতিক অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au