কুমিল্লাজুড়ে মাদকের ভয়াবহ থাবা, ২০০ হটস্পটে চলে বেচাকেনা
কুমিল্লার সীমান্ত দিয়ে দেদারছে ঢুকছে মাদক। পরে ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। জেলার ১৮টি থানায় অন্তত ২০০টি হটস্পটে চলছে মাদক কেনাবেচা। সীমান্তের অর্ধশতাধিক পথ ব্যবহৃত…
চীনা ইস্পাত আমদানিতে ব্রাজিল সরকার কড়াকড়ি আরোপ করায় দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে বিশ্বখ্যাত ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আর্সেলরমিত্তাল। ভারতীয় মিত্তাল পরিবারের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানটি ব্রাজিলে ১০ বিলিয়ন রেইসেরও বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা, বিনিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
চীনা ইস্পাত পণ্যের ওপর ব্রাজিল সরকার একাধিক অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে। এর ফলে দেশটির বাজারে আমদানি করা ইস্পাতের অংশ ২৫ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে প্রায় ১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। আর্সেলরমিত্তালের মতে, স্থানীয় ইস্পাত শিল্পে সুস্থ ও টেকসই প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে আমদানির অংশ আরও কমিয়ে প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি রাখা প্রয়োজন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই জানিয়েছে, আর্সেলরমিত্তাল ব্রাজিলের এসপিরিটো সান্তো রাজ্যের টুবারাও প্ল্যান্টে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন রেইস বিনিয়োগ নিশ্চিত করেছে। এই অর্থ ব্যয় করে অটোমোবাইল, নির্মাণ এবং গৃহস্থালী পণ্যের খাতের জন্য উন্নত মানের ইস্পাত উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
এ ছাড়া সেয়ারার পেসেম প্ল্যান্টে হট-রোল্ড কয়েল উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আরও প্রায় ৫ বিলিয়ন রেইস বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব বিনিয়োগের বিষয়ে চলতি বছরের শেষ নাগাদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ব্রাজিল আর্সেলরমিত্তালের জন্য বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটি থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩ দশমিক ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। ফলে ব্রাজিলের স্থানীয় বাজারে চীনা ইস্পাতের উপস্থিতি কমে আসায় নিজেদের উৎপাদন ও বাজার সক্ষমতা বাড়ানোর বড় সুযোগ দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে চলতি বছরের মার্চে ব্রাজিলের মিনাস জেরাইস রাজ্যে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন রেইস ব্যয়ে একটি লৌহ আকরিক প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট উদ্বোধন করে আর্সেলরমিত্তাল। নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশটিতে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তবে ব্রাজিলের ইস্পাত খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জের কথাও জানিয়েছে আর্সেলরমিত্তাল। প্রতিষ্ঠানটির মতে, উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির কাঠামোগত ব্যয় স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার প্রধান বাধা।
চীনা ইস্পাত আমদানির ওপর ব্রাজিলের কঠোর অবস্থানের ফলে স্থানীয় উৎপাদনকারীরা কিছুটা সুবিধা পেলেও, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়টি এখন দেশটির ইস্পাত শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে আর্সেলরমিত্তালের প্রস্তাবিত ১০ বিলিয়ন রেইসের বেশি বিনিয়োগ ব্রাজিলের ইস্পাত শিল্পে বড় ধরনের সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au