শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন, আতঙ্কে বিদেশগামী যাত্রীরা
ওটিএন বাংলা ডেস্ক : রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি স্টোর বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর)…
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আপিল দায়ের করা হয়। তবে আপিল করলেই তিনি জামিন পাবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই।
ইনুর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ আপিল দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আপিলে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সাজা থেকে তাঁকে খালাস দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ৫ অক্টোবর ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানিয়ে আপিল করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, প্রমাণিত অপরাধের গুরুত্ব ও ভয়াবহতা বিবেচনায় ১০ বছরের কারাদণ্ড যথেষ্ট নয়।
গত ৩০ জুন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তাঁর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ সাজা দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে তিনটি অভিযোগের প্রতিটিতে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হলেও সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হবে। ফলে সব মিলিয়ে তাঁকে ১০ বছর কারাগারে থাকতে হবে। পাশাপাশি দুটি অভিযোগে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানার আদেশও দেওয়া হয়।
রায়ে বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ইনুর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের মধ্যে তিনটি প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে, বাকি পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে সেগুলো থেকে খালাস দেওয়া হয়।
মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, উসকানি, ষড়যন্ত্র এবং সহিংসতা ও নিপীড়নে ভূমিকা রাখার অভিযোগ আনা হয়েছিল। কুষ্টিয়ায় ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনাও মামলার অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরার একটি এলাকা থেকে ইনুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যনালে আরও একটি মামলার বিচার চলছে।
আইনগতভাবে আপিল দায়েরের অর্থ সাজা স্থগিত বা জামিন নিশ্চিত হওয়া নয়। আপিলের গ্রহণযোগ্যতা, প্রযোজ্য আইন এবং সংশ্লিষ্ট আবেদন বিবেচনা করে আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন। ফলে ইনুর জামিন মিলবে কি না, তা নির্ভর করছে আদালতের পরবর্তী আদেশের ওপর।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au