বাংলাদেশ

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি করেছেন জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়ার অভিযোগে মামলা

  • 3:18 pm - October 23, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৬৬ বার
জুলাই আন্দোলন। ছবিঃ সংগৃহীত

জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হামলায় আহত হওয়ার অভিযোগে করা একটি মামলার তদন্তে ভিন্ন তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার বাদী জাফর আহমেদ ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই ঢাকার মোহাম্মদপুরে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সময় আহত হননি। বরং ওই দিন সকালে বিজয় সরণি এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন তিনি। বাবার প্রতিষ্ঠিত একটি কওমি মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও স্থানীয় লোকজনকে মামলায় জড়ানোর অভিযোগও আনা হয়েছে প্রতিবেদনে।

২০২৫ সালের ১৫ মার্চ ঢাকার আদালতে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি করেছিলেন জাফর আহমেদ। এজাহারে তাঁদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ করা হয়। তবে তদন্ত শেষে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রতিবেদন জমা দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আকরামুজ্জামান। তিনি বলেছেন, তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এটি মূলত জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়ার ঘটনা নয়, বরং বাদী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ২ নভেম্বর ধার্য করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান।

মামলায় যাঁদের আসামি করা হয়

মামলায় নাম উল্লেখ করা ১৩ আসামি হলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো, হেলাল উদ্দিন, আব্দুল্লাহ শাহীন, আব্দুর রহমান, মাইনুদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম, হাবিব, দেলোয়ার হোসেন, শাহাদাত মোল্লা, আবদুর রহিম, ইয়াদ মাহমুদ খান শেলী, মো. আসিফ ও রায়হানুর রহমান মিল্টন। এ ছাড়া নাম উল্লেখ না করে আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয় বলে মামলার বিবরণে বলা হয়েছে।

আসামিদের অধিকাংশের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়। মামলার বাদী জাফর আহমেদের বাড়িও ওই উপজেলার রাজারচর এলাকায়। তবে তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় বসবাস করেন।

পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাঁদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়া এবং অব্যাহতির সুপারিশ করা মানেই আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। মামলাটির পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।

জাফরের অভিযোগ ছিল যা

মামলার এজাহারে জাফর আহমেদ অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই সকাল ১০টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালান। ওই সময় পুলিশের একটি গাড়ির ধাক্কায় তিনি পড়ে যান। পরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাঁর ওপর আবার হামলা চালালে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

জাফরের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে তাঁর জ্ঞান ফিরলে নিজেকে হাসপাতালে দেখতে পান। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট, তাঁর বাম পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করেন তিনি।

জাফর আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়ার বিষয়ে তিনি তদন্ত কর্মকর্তাকে চিকিৎসাসংক্রান্ত সব নথি দিয়েছেন। ঘটনার সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কয়েকজন ঢাকার শুক্রাবাদ ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। অন্যরা শিবচর থেকে ঢাকায় যাতায়াত করতেন বলেও তাঁর বক্তব্য।

আসামিরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করে জাফর আরও দাবি করেন, গত বছরের ডিসেম্বরেও জুলফিকার আলীসহ কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা করেছিলেন। এ বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

তদন্তে উঠে এল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার তথ্য

পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই ভোর পৌনে ৬টার দিকে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন জাফর আহমেদ। সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বিজয় সরণি মোড়ে তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন।

দুর্ঘটনার পর মামলার সাক্ষী আবদুর রহমান খানকে ফোন করে মোটরসাইকেলটি বাসায় পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন জাফর। ওই দিন রাত ১২টার দিকে তিনি বাংলাদেশ স্পাইন অ্যান্ড অর্থোপেডিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে ৬ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত লালমাটিয়ার সিটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর চিকিৎসার নথি সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করা হয়েছে। সেসব নথির ভিত্তিতে তাঁর পর্যবেক্ষণ, এজাহারে বর্ণিত মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জুলাই আন্দোলনের সময় হামলায় আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। বরং এর আগে বিজয় সরণি এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ ব্যক্তিদের গেজেট পর্যালোচনা করেও জাফর আহমেদের আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

এসব তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, প্রকৃত ঘটনা গোপন করে এবং মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরে জুলফিকার আলী ভুট্টো, হেলাল উদ্দিন, আব্দুল্লাহ শাহীন, আব্দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফাঁসাতে মামলাটি করা হয়েছে।

বাবার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে উঠে এসেছে জাফর আহমেদের পরিবারের সঙ্গে তাঁদের প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসার পরিচালনা নিয়ে বিরোধের বিবরণ।

জাফর আহমেদের বাবা আব্দুছ ছামাদ ১৯৭০ সালে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার রাজারচর এলাকায় আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৫ সালের ৩ আগস্ট তিনি মারা যান। এরপর তাঁদের মা আমিরুন নেছা বড় ছেলে শামসুল হককে মাদ্রাসার মোতাওয়াল্লী ও পরিচালনার দায়িত্ব দেন। সহায়তার জন্য জাফর আহমেদকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে মাদ্রাসার একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন জাফর আহমেদ। কয়েকজন শিক্ষকের সহযোগিতায় বড় ভাইকে সরিয়ে নিজেকে মোতাওয়াল্লী ঘোষণা করেন তিনি। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, তাঁর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর মাদ্রাসাটিতে আর্থিক সংকট ও বিশৃঙ্খলাসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

এরপর আমিরুন নেছা স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে বড় ছেলে শামসুল হককে পুনরায় মোতাওয়াল্লী ঘোষণা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাদ্রাসার দায়িত্ব থেকে জাফর আহমেদকে সরিয়ে দেওয়ার পরই জুলফিকার আলী ভুট্টো, হেলাল উদ্দিন, আব্দুল্লাহ শাহীন ও আব্দুর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। তাঁরা মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি, পরিচালক ও শিক্ষাদান কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগের মামলাও খারিজ হওয়ার তথ্য

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মাদ্রাসা পরিচালনা নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে জাফর আহমেদ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, মানহানিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করেছিলেন। তবে আদালত সেই মামলাটি খারিজ করে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর জুলাই আন্দোলনে আহত হওয়ার অভিযোগ তুলে মাদ্রাসাটির শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে বর্তমান মামলাটি করেন জাফর আহমেদ বলে দাবি করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

প্রতিবেদনে আসামিদের ঘটনার দিন ঢাকায় উপস্থিত না থাকার তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রত্যেক আসামির অবস্থান কীভাবে যাচাই করা হয়েছে, তার বিস্তারিত বিবরণ মূল প্রতিবেদন থেকে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

আসামি হেলালের বক্তব্য

মামলার চার নম্বর আসামি হেলাল উদ্দিন শিবচরের রাজারচরে অবস্থিত আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। মাদ্রাসাটি জাফর আহমেদের বাবা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

হেলাল উদ্দিনের দাবি, জাফর আহমেদ একসময় মাদ্রাসার পরিচালক ছিলেন। পরে বিভিন্ন কারণে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়। বর্তমানে তাঁর বড় ভাই শামসুল হক পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন।

হেলাল বলেন, জাফর আহমেদ অতীতেও মা-বাবা, ভাই-বোন ও আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা করেছেন। এসব ঘটনার কারণে পরিবারের সদস্য ও অন্যদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালো নয় বলে দাবি করেন তিনি।

বর্তমান মামলার বিষয়ে হেলাল বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষক ও স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সঙ্গে তাঁদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। যে তারিখে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে, সেদিন তাঁরা মাদ্রাসায় ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

হেলালের ভাষ্য, মামলার কারণে তাঁদের শিবচর থানায় যাতায়াত করতে হয়েছে এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পর জাফর আহমেদ দুইবার হুইলচেয়ারে করে মাদ্রাসায় এসেছিলেন। তখন তাঁরা তাঁকে হুইলচেয়ারসহ মাদ্রাসার দোতলায় তুলে দিয়েছিলেন। এ ঘটনার রেকর্ড তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তদন্ত প্রতিবেদন ও আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

মামলাটির তদন্তে পুলিশের সামনে মূলত দুটি ভিন্ন বিবরণ এসেছে। বাদী জাফর আহমেদ দাবি করেছেন, জুলাই আন্দোলনের সময় হামলায় আহত হয়ে তিনি চিকিৎসা নিয়েছিলেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে তদন্ত কর্মকর্তা চিকিৎসার নথি, সাক্ষ্য ও অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার বিবরণ দিয়েছেন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদনে মাদ্রাসার পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কথা উঠে এসেছে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আদালতের পর্যালোচনা ও পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর।

আগামী ২ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। ওই শুনানিতে তদন্ত প্রতিবেদন এবং আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশের বিষয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সূত্রঃ বিডি নিউজ২৪

এই শাখার আরও খবর

দুই বছরেও সংস্কার হয়নি শাবিপ্রবির ‘চেতনা-৭১’, প্রস্তুতি নিলেও মেলেনি অনুমতি

একসময় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ‘চেতনা-৭১’ ভাস্কর্যের পাদদেশ ছিল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, গল্প, আড্ডা ও ছবি তোলার পরিচিত জায়গা। জাতীয় দিবসগুলোতে ভাস্কর্য ঘিরে মোমবাতি…

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা রাবি শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরার মৃত্যু

পূজার দাওয়াত খেয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা মারা গেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার…

হরমুজ প্রণালিতে এক রাতেই ৭ জাহাজে হামলা, ফের সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে এক রাতেই সাতটি তেলবাহী জাহাজে হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির খবর জানিয়েছে…

চীনের তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৬, আহত ৩২

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন। আহতদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা…

দুই মাস ধরে আলাদা, জানুয়ারিতে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেবেন ফারুকী-তিশা

ওটিএন বাংলা ডেস্ক : দীর্ঘ ২০ বছরের সম্পর্ক ও ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবন শেষে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ…

সংঘর্ষে ইথিওপিয়া ছেড়ে কেনিয়ায় আশ্রয় নিচ্ছেন শত শত মানুষ

ইথিওপিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘর্ষের জেরে শত শত মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে প্রতিবেশী দেশ কেনিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন। বাস্তুচ্যুত এসব মানুষের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। তাঁদের…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au