সাজেক সড়কে অবরোধ অব্যাহত, মাটিরাঙ্গায় অস্ত্র হাতে মহড়া
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা-সাজেক সড়কে তৃতীয় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে। অন্যদিকে, সাজেকে দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলার সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি…
হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা আজ রোববার (২৫ অক্টোবর)। ধন-সম্পদ, সমৃদ্ধি ও ঐশ্বর্যের দেবী মা লক্ষ্মীর আরাধনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজার আয়োজন করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বাঙালি হিন্দুদের ঘরে ঘরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে এই উৎসব।
শারদ পূর্ণিমার তিথিতে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এ পূজাকে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজাও বলা হয়। আশ্বিন মাসের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে বাঙালি হিন্দু পরিবারগুলোতে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেবী লক্ষ্মীর পূজা ও আরাধনা করা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, দেবীর কৃপায় সংসারে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায়।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, আজ সকাল ১১টা ৫৯ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি শুরু হবে এবং আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে শেষ হবে। তিথি অনুসারে আজ বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পূজার আয়োজন করা হচ্ছে।
লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ভক্তরা ঘরের আঙিনা ও পূজার স্থানে আলপনা আঁকেন। অনেক বাড়িতে আলপনার মাধ্যমে দেবীকে স্বাগত জানানোর প্রতীকী আয়োজন করা হয়। পূজার সময় দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করে ভক্তরা পরিবার ও সংসারের মঙ্গল, সুখ-শান্তি, আয়-উন্নতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন।
রাজধানী ঢাকার রামসীতা মন্দির, রমনা কালীবাড়ি মন্দির, ঠাটারীবাজার পঞ্চানন্দ শিবমন্দির, গৌতম মন্দির, রাধামাধব বিগ্রহ মন্দির ও রাধা গোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে লক্ষ্মীপূজার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকার হিন্দু পরিবারগুলোতেও ঘরোয়া পরিবেশে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা চলছে।
ধর্মীয় বিশ্বাস, পারিবারিক ঐতিহ্য ও উৎসবের আবহে প্রতিবছর বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে আসে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au