অস্ট্রেলিয়া

ভিসা বিধিনিষেধে কমেছে বিদেশি শিক্ষার্থী, ৬৪ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব ঘাটতির মুখে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়

  • 10:34 pm - October 28, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৫০ বার
৬৪ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব ঘাটতির মুখে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়। ছবিঃ এবিসি নিউজ

অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার শর্ত কঠোর করা এবং আবেদন ফি বাড়ানোর প্রভাব পড়েছে দেশটির উচ্চশিক্ষা খাতে। এর ফলে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পেরে প্রায় ৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কায় পড়েছে দেশটির নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্মীদের জন্য স্বেচ্ছায় আগাম অবসর গ্রহণের সুযোগসহ বিভিন্ন ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম সেমিস্টারে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৪০ শতাংশ কম হয়েছে। নাইজেরিয়া, কেনিয়া, ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিসা প্রক্রিয়া কঠোর হওয়াকে এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

টাইমস হায়ার এডুকেশন-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন ১৬ হাজার ৬৭৭ জন। অথচ আগের বছর একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির পূর্বসূরি দুটি প্রতিষ্ঠানে সম্মিলিতভাবে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২০ হাজার ৮২০ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শিক্ষার্থী কমেছে ৪ হাজার ১৪৩ জন, যা প্রায় ২০ শতাংশ।

শিক্ষার্থী ভর্তির এই পতনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির আয়েও বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, সম্ভাব্য রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ৯ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার, যা প্রায় ৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলারের সমান। তবে এই ঘাটতির কতটা নির্দিষ্ট কোনো দেশের শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার কারণে হয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে প্রকাশ করেনি।

অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কার্যক্রম শুরু করে। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনিভার্সিটি অব অ্যাডিলেড একীভূত করে নতুন প্রতিষ্ঠানটি গঠন করা হয়। এই একীভূতকরণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫০ কোটি থেকে ৬৫ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার। প্রকল্পটির জন্য দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া রাজ্য সরকার ৪৬ কোটি ৪৫ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের অর্থায়ন প্যাকেজও দিয়েছিল।

একীভূতকরণের অন্যতম লক্ষ্য ছিল গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানো, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করা এবং বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণ করা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩৪ সালের মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আরও ৬ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ভিসা নীতির পরিবর্তন ও শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থতা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

আর্থিক চাপ মোকাবিলায় এখন ব্যয় ও জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিবেচনাধীন পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে ৫৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অন্তত পাঁচ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের জন্য স্বেচ্ছায় আগাম অবসরের সুযোগ চালু করা। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার ব্যবস্থাও বিবেচনা করা হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির জনবল ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রধান জোয়ান ফক্স জানিয়েছেন, আগাম অবসরের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক থাকবে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত এক অভ্যন্তরীণ বার্তায় তিনি বলেন, কাউকে আগ্রহ প্রকাশ করতে, আবেদন করতে কিংবা অবসর নিতে প্রত্যাশা করা হচ্ছে না বা বাধ্য করা হচ্ছে না।

ভিসার ফি ও কঠোর যাচাইয়ে চাপে আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাত

অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের মতে, অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন নীতিতে সাম্প্রতিক পরিবর্তন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার বৃদ্ধি এবং আবেদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দেশটিতে পড়াশোনার পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে উঠেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন ফি বাড়িয়ে ২ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলীয় ডলার করা হয়েছে। এর ফলে টিউশন ফি, আবাসন, যাতায়াত ও অন্যান্য জীবনযাত্রার ব্যয়ের পাশাপাশি ভিসা প্রক্রিয়াতেও শিক্ষার্থীদের বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ভিসা পাওয়ার অনিশ্চয়তা থাকলে আবেদনকারীদের আর্থিক ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী টনি বার্ক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আসার সুযোগ সীমিত করার পরিকল্পনার কথা জানান। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিতে পারবেন না। তবে পিএইচডি শিক্ষার্থীসহ নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির আবেদনকারীর জন্য ছাড় রাখার কথা বলা হয়েছে।

অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক ও বহির্বিশ্ব সম্পর্কবিষয়ক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জেসিকা গ্যালাঘার সরকারের নীতিগত অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এবিসি নিউজকে তিনি বলেন, গত ১২ মাসে চালু হওয়া নীতিগুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অস্ট্রেলিয়ার আকর্ষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ভিসার কঠোর শর্তও শিক্ষার্থী ভর্তির ওপর প্রভাব ফেলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নাইজেরিয়া ও কেনিয়ার আবেদনকারীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার প্রায় ৮০ শতাংশ

টাইমস হায়ার এডুকেশন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে নাইজেরিয়া ও কেনিয়ার আবেদনকারীদের শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছিল। অথচ এক বছর আগে এই হার ছিল ১০ শতাংশেরও কম। অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রত্যাখ্যানের হার এতটা বেড়ে যাওয়ায় ওই দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেও ভিসা যাচাই আরও কঠোর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব দেশের শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যায় পড়াশোনা করেন। ফলে ভিসা অনুমোদন কমে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি ও আয় উভয়ই প্রভাবিত হতে পারে।

তবে অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির রাজস্ব ঘাটতির কত অংশ নাইজেরিয়া, কেনিয়া, ভারত, নেপাল কিংবা বাংলাদেশের শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার কারণে হয়েছে, তার কোনো পৃথক হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। ফলে দেশভিত্তিক প্রভাবের সুনির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতের গুরুত্ব স্বীকার করলেও অভিবাসন ব্যবস্থায় কঠোর তদারকির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, অস্ট্রেলিয়ায় আসা শিক্ষার্থীরা যেন মূলত পড়াশোনার উদ্দেশ্যেই আসেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা জরুরি।

অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রভাব, তবে ব্যতিক্রমও রয়েছে

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রভাব শুধু অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশজুড়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা সামগ্রিকভাবে ৮ শতাংশ কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সব প্রতিষ্ঠান একই পরিস্থিতির মুখে পড়েনি। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়, যেমন ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটি, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তিতে প্রবৃদ্ধি দেখেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আসে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি থেকে। তাই বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কমে গেলে শুধু শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার্থীসংখ্যাই নয়, গবেষণা, জনবল, অবকাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনাও আর্থিক চাপের মুখে পড়তে পারে।

অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটির বর্তমান পরিস্থিতি দেশটির উচ্চশিক্ষা খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ সামনে এনেছে। একদিকে সরকার অভিবাসন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে চাইছে, অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণ এবং সেই শিক্ষার্থীদের ফি থেকে আয় ধরে রাখতে চাইছে। ভিসার শর্ত, আবেদন ব্যয় ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির প্রবণতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক পরিকল্পনায় এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সূত্রঃ বিজনেস ইনসাইডার আফ্রিকা

এই শাখার আরও খবর

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের মুখোমুখী সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

স্পেনের মধ্যাঞ্চলে দ্রুতগতির দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক…

‘ইরানের অবকাঠামোয় হামলা হলে আমিরাত-সৌদিসহ কয়েকটি দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে’

ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলা চালানো হলে পাল্টা জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের জন্য ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করতে পারে বলে সতর্ক…

নেতানিয়াহুর জোট ৫৪ আসনে স্থির, ভোট গণনায় এগোচ্ছে আরব দলগুলো

ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনে ৭৬ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট গণনা শেষে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন…

আইইডিসিআরের কার্যালয়ে ঢুকে পরিচালককে মারধর, ড্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিকে তাঁর কার্যালয়ের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের…

বরখাস্ত হচ্ছেন আইজিপি আলী হোসেন, নতুন পুলিশ প্রধান হচ্ছেন কে?

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর তাঁর পদে পরিবর্তনের আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন আইজিপি নিয়োগের বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা…

তিন বন্দুকধারী দেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণ

পাকিস্তানের অশান্ত বেলুচিস্তান প্রদেশে কালাতের বর্তমান খানের ছেলে শাহজাদা মুহাম্মদ খান আহমেদজাইকে তাঁর তিন সশস্ত্র দেহরক্ষীসহ অপহরণ করেছে একদল বন্দুকধারী। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে খুজদার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au