বাংলাদেশ

শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা

ডিসেম্বরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কী ঘটতে যাচ্ছে?

  • 4:02 am - October 30, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৯৪ বার
শেখ হাসিনার উপস্থিতি ও প্রত্যর্পণ ইস্যুর ছায়ায় ঢাকা–দিল্লি সম্পর্ক—একদিকে নরেন্দ্র মোদি, অন্যদিকে তারেক রহমান; মাঝখানে আটকে আছে দুই দেশের কূটনৈতিক সমীকরণ। ছবি: ওটিএন বাংলা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোবে এবং দেশের কৌশলগত সিদ্ধান্তগুলোতে কার প্রভাব কতটা থাকবে, এই প্রশ্নগুলোকে সামনে রেখে একাধিক সাম্প্রতিক ঘটনাকে বিশ্লেষণ করেছেন লেখক। তাঁর আলোচনায় উঠে এসেছে ভারতের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা, চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সম্পর্ক, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ।

লেখাটিতে এসব ঘটনাকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা হয়েছে। তবে এর মধ্যে কিছু বিষয় সম্ভাবনা ও রাজনৈতিক অনুমাননির্ভর। বিশেষ করে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ঘিরে সম্ভাব্য সমঝোতা কিংবা নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে উত্থাপিত দাবিগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

নয়াদিল্লিতে গোয়েন্দাপ্রধানের সফর: নিরাপত্তা, কৌশল ও নীরবতা

২০২৬ সালের ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সরওয়ার ফরিদ অষ্টম দক্ষিণ এশীয় সন্ত্রাসবাদবিরোধী সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করেন। সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সম্মেলনটির উদ্দেশ্য ছিল সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার ও মানব পাচার মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের গোয়েন্দাপ্রধানের সফরকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নয়, বরং বহুপক্ষীয় সম্মেলনে অংশগ্রহণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ফলে এই সফরকে সরাসরি বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় আলোচনার অংশ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

তবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনায় সফরটি আঞ্চলিক নিরাপত্তার বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ সীমান্ত, আন্তসীমান্ত নদী, বাণিজ্যিক যোগাযোগ এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন অভিন্ন বিষয় রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমন, মানব ও মাদক পাচার প্রতিরোধ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

লেখক আনোয়ার এ. খানের মতে, ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখা জরুরি। দুই দেশের স্বার্থ যেখানে অভিন্ন, সেখানে সহযোগিতা বাড়ানো এবং মতপার্থক্য থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও, যতটুকু প্রকাশ করা যায়, ততটুকু স্বচ্ছতা জনমনে আস্থা বাড়াতে পারে।

চীনের সঙ্গে প্রযুক্তি সহযোগিতা: কূটনৈতিক ভারসাম্যের প্রশ্ন

লেখাটিতে বাংলাদেশের এনএসআইয়ের একটি প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিনিধিদলের চীনের গুয়াংজু সফরের খবরও উল্লেখ করা হয়েছে। লেখকের মতে, একই সময়ে ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগের বিষয়টি দেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।

চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও প্রতিরক্ষা সহযোগীদের একটি। অন্যদিকে, ভৌগোলিক অবস্থান এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

এ পরিস্থিতিতে ঢাকার সামনে চ্যালেঞ্জ হলো, দুই দেশের সঙ্গেই কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা এবং কোনো একক শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে না পড়া। লেখক এই অবস্থানকে কূটনৈতিক দ্বিচারিতা নয়, বরং নিজস্ব অগ্রাধিকার নির্ধারণের স্বাধীনতা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।

তবে চীনে এনএসআইয়ের প্রযুক্তি প্রতিনিধিদলের সফর সম্পর্কে মূল লেখায় বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। সফরের উদ্দেশ্য, আলোচনার বিষয়বস্তু কিংবা কোনো চুক্তি হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করার মতো তথ্যও সেখানে নেই। তাই নয়াদিল্লি ও গুয়াংজুর সফর দুটিকে একই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচনা করার আগে আরও তথ্য প্রয়োজন।

প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সহযোগিতার ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা, নজরদারি প্রযুক্তির ব্যবহার, সংবেদনশীল তথ্যের সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর লেখক গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি দেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে গিয়ে অন্য একটি দেশের ওপর নতুন করে নির্ভরশীল হয়ে পড়া বাংলাদেশের জন্য কাম্য নয়।

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা

লেখাটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রসঙ্গ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা। ২০২৬ সালের আগস্টে তিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরবর্তী সময়েও তিনি একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তবে তাঁর ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ ও প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করেছে।

লেখক প্রশ্ন তুলেছেন, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের পরিস্থিতি নির্ধারণে কূটনৈতিক আলোচনা কোনো ভূমিকা রাখতে পারে কি না। তাঁর মতে, প্রত্যর্পণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিষয়গুলোর সঙ্গে এই প্রসঙ্গের কোনো যোগসূত্র তৈরি হয় কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

তবে এসব প্রশ্নকে সম্ভাব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষণ হিসেবেই দেখতে হবে। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট সমঝোতা হয়েছে, এমন তথ্য মূল লেখায় উপস্থাপন করা হয়নি।

এ ছাড়া, শেখ হাসিনাকে সাধারণ কারাগারের পরিবর্তে কোনো সামরিক সেনানিবাসে নিরাপত্তা দিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা হতে পারে বলে যে দাবি লেখাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ দেওয়া হয়নি। ফলে বিষয়টিকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে প্রচার করা সমীচীন নয়।

লেখকের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রশ্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে বাংলাদেশের সংবিধান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করা। রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এই পরিস্থিতিতে যেকোনো সিদ্ধান্ত আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিই হবে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি: বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি। ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা। চুক্তিটি নবায়ন বা নতুন চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি দুই দেশের পানি কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হয়ে উঠেছে।

গঙ্গার পানির ওপর বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ এবং নদীসংলগ্ন জনপদের জীবিকা অনেকাংশে নির্ভরশীল। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমে গেলে কৃষি উৎপাদন, নদীর নাব্যতা এবং পরিবেশগত ভারসাম্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

লেখক মনে করেন, চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশের উচিত বৈজ্ঞানিক তথ্য, পানিপ্রবাহের পরিসংখ্যান, কৃষির প্রয়োজন এবং পরিবেশগত বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়া। দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে এগোনো প্রয়োজন।

গঙ্গা নদী। ছবিঃ সংগৃহীত

এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এর আগে জানিয়েছেন, সরকার বিদ্যমান চুক্তির পরিবর্তে নতুন চুক্তি করার বিষয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো ১৯৭৭ সালের পানি বণ্টন চুক্তির মতো একটি নিশ্চয়তামূলক ধারা নতুন চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা।

পানি বণ্টন কেবল দুই দেশের কূটনৈতিক দর-কষাকষির বিষয় নয়। এর সঙ্গে খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি অর্থনীতি, পরিবেশ এবং নদীনির্ভর মানুষের জীবনযাত্রা সরাসরি যুক্ত। এ কারণে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় আলোচনার প্রস্তুতি, নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত অবস্থান জরুরি।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে কারা?

লেখাটির শেষাংশে আনোয়ার এ. খান বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং নিজস্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত কিংবা চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা নিজে কোনো সমস্যা নয়। বরং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা যদি আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল করে দেয়, তাহলে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত স্বার্থ বিবেচনা এবং জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

লেখকের মতে, কোনো বিদেশি শক্তির প্রতি অন্ধ আনুগত্য নয়, বরং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ভর কূটনীতি এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ডিসেম্বর বাংলাদেশের জন্য রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ সময় হয়ে উঠতে পারে। তবে ভারতের সঙ্গে গোয়েন্দা সহযোগিতা, চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত যোগাযোগ, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ, প্রতিটি বিষয়কে আলাদাভাবে যাচাই ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

সবশেষে লেখক যে মূল বক্তব্য তুলে ধরেছেন, তা হলো, বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের কৌশলগত প্রতিযোগিতার দাবার ঘুঁটি নয়। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার বাংলাদেশের জনগণের। সেই অধিকার কার্যকর রাখতে জাতীয় স্বার্থ, আইনের শাসন, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি এবং স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

লেখক: আনোয়ার এ. খান

সূত্রঃ ফ্রেশ এ্যাঙ্গেল

এই শাখার আরও খবর

ইসরায়েলের নির্বাচনে কে কী বললেন, আর ফলাফলে কার অবস্থান কোথায়?

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে কোনো দল বা জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে নেই। প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন…

পাবনায় রাতের আঁধারে শ্রমিক লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

ওটিএন বাংলা রিপোর্ট : পাবনার আতাইকুলায় পুষ্পপাড়া হাটে গুলি করে শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুজনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত পৌনে ৮টার দিকে হাটের…

জাপানি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা শেখাতে বাংলাদেশে নতুন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

জাপানে ও বাংলাদেশে কর্মসংস্থানে আগ্রহী তরুণদের জাপানি ভাষা শেখানো ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে জাপানের প্রতিষ্ঠান ওনোদেরা ইউজার রান এবং…

মেয়াদ শেষ হচ্ছে গঙ্গার পানি চুক্তির, ভারতের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী ঢাকা

গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ১২ ডিসেম্বর শেষ হতে যাওয়ায় ভারতের সঙ্গে নতুন চুক্তির আলোচনা শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন চুক্তি না হলে দেশে…

শেখ হাসিনার জাতিসংঘে চিঠি: আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবি

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও অর্জনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর আরোপিত অসাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে জাতিসংঘের…

মন্দিরে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল কেড়ে নিল সজল চক্রবর্তীর জীবন

বরিশালে ভোরে মন্দিরে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সজল কুমার চক্রবর্তী (৬০)। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে নগরীর সদর রোডে রাস্তা পার হওয়ার…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au