ছুটির পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু
দুই সপ্তাহের ছুটি শেষে ফ্রান্সে আবারও শুরু হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। তবে আগের কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এবার আন্দোলনের ব্যাপ্তি অনেকটাই কম। সোমবার রাজধানী প্যারিস,…
ঢাকার কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশনের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতেই বাসে ওঠার সময় এক নারীর মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ছিনতাইকারীর ধাক্কায় চলন্ত বাস থেকে পড়ে আহত হন ওই নারীর স্বামী। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই পুলিশ সদস্য ছিনতাইকারীকে আটক বা উদ্ধারের কোনো চেষ্টা করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী সুরাইয়া তাসনিম।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন তিনি।
সুরাইয়া তাসনিম জানান, তিনি ও তাঁর স্বামী দুজনই শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম চাকরি করে কোনোমতে সংসার ও পড়াশোনার খরচ চালান। দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি শখের একটি মোবাইল ফোন কিনেছিলেন।
ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কারওয়ান বাজার মেট্রো স্টেশনের সামনে বাসে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। এ সময় সুরাইয়া কোনোভাবে বাসে উঠতে পারলেও তাঁর স্বামী বাসে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ভিড়ের সুযোগ নিয়ে এক ছিনতাইকারী তাঁর স্বামীর পকেট থেকে মোবাইল ফোনটি টান দিয়ে নিয়ে যায়। এতে ভারসাম্য হারিয়ে চলন্ত বাস থেকে রাস্তায় পড়ে যান তাঁর স্বামী।
সুরাইয়ার ভাষ্য, স্বামীর চিৎকার ও আর্তনাদে ঘটনাস্থলে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। তাঁদের সামনেই দুই পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও ছিনতাইকারীকে ধরতে তাঁরা কোনো উদ্যোগ নেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরে পুলিশের কাছে সহায়তা চাইতে গেলে তাঁদের থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পুলিশের এমন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করে সুরাইয়া প্রশ্ন তোলেন, পুলিশ সদস্যদের চোখের সামনে অপরাধ সংঘটিত হলেও তাঁরা কেন তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীকে আটক করার চেষ্টা করেননি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশের পরামর্শে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানাতে চাইলেও সেখানে দায়িত্বশীল আচরণ পাননি তাঁরা। বরং অবহেলা ও হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আবেগঘন পোস্টে সুরাইয়া তাসনিম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সুবিচার দাবি করেন। তাঁর প্রশ্ন, সাধারণ নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁদের সামনেই যদি এমন অপরাধ ঘটে এবং ভুক্তভোগীরা সহায়তা না পান, তাহলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা পাবে কোথায়?
সুরাইয়া বলেন, তাঁর কাছে মোবাইল ফোনটি কেবল একটি যন্ত্র ছিল না, বরং দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও পরিশ্রমের সঞ্চয়ে কেনা একটি শখের সম্পদ। ফোনটি ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে তাঁর মতো আর কোনো সাধারণ মানুষকে যেন এভাবে ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে অসহায় অবস্থায় পড়তে না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au