ভারতের পাঞ্জাবে চলন্ত ট্রেনের একাধিক বগিতে আগুন
ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে চলন্ত একটি ট্রেনের তিন থেকে চারটি বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত ট্রেন…
ওটিএন বাংলা ডেস্ক :
সেনাসদস্য হত্যার ঘটনার পর কক্সবাজারের টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে। এর মধ্যেই হ্নীলা ইউনিয়নের পাহাড়ে তিনজনের লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে নয়াপাড়া ও লেদা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে লাশগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়। সেগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান তিনটি লাশ পড়ে থাকার খবর পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, লাশ উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই পাহাড়ে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। মানবপাচারকারীদের গুলিতে সেনাবাহিনীর সৈনিক তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন।
অভিযানকালে যৌথ বাহিনী মানবপাচারকারীদের কবল থেকে ৫৬ জনকে উদ্ধার করে। এ ছাড়া মানবপাচারকারী চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্প্রতি এক সেনাসদস্য নিহতের পর পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানা শনাক্ত ও তাদের গ্রেপ্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পাহাড়ে তিনজনের লাশ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। লাশগুলোর পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দুর্গম পাহাড়ে সশস্ত্র অপরাধীদের তৎপরতা দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের নিরাপত্তাহীনতায় রেখেছে। তাঁরা পাহাড়জুড়ে অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের আস্তানা নির্মূলের দাবি জানিয়েছেন।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। অপরাধ করে কেউ পার পাওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, মানবপাচারকারীদের গুলিতে দায়িত্ব পালনরত একজন সেনাসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁরা গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au