নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে উচ্ছ্বাস কর্মকারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে…
মেলবোর্ন, ০৬ মে- বাংলাদেশে রাষ্ট্রদ্রোহ ও আইনজীবী হত্যা মামলায় কারাগারে আটক সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও হিন্দু ধর্মীয় নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মাচারীকে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা আরও চার মামলায় গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ মে) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মহানগর হাকিম এস এম আলাউদ্দিন ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আগে থেকেই কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে এক দিন আগে সোমবার (৫ মে) চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন আদালত। এখন নতুন করে আরও মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মফিজুল হক ভুঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত রবিবার (৪ মে) আইনজীবী আলিফ হত্যা, পুলিশের কাজে বাধাদান, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলাসহ কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাগণ আদালতে আবেদন করেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলাটি ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। বাকি চার মামলায় আজ মঙ্গলবার (৬ মে) ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন আদালত।’

ধর্মীয় অনুষ্ঠানে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।
গত বছরের ২৫ অক্টোবর চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে সনাতন সম্প্রদায়ের একটি বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ ওঠে। এর কয়েকদিন পর ৩১ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়। এ মামলায় আরও ১৮ জনকে আসামি করা হয়। রাষ্ট্রদ্রোহের সেই মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পরদিন তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন চট্টগ্রামের আদালত। সেদিনই চিন্ময় দাসের আইনজীবীরা ওই আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন চেয়ে আবার জামিন আবেদন করেছিলেন। তার জামিন ঘিরে সংঘর্ষে জড়ান ভক্তরা। তাদের সংঘর্ষে নিহত হন চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী মো. সাইফুল ইসলাম আলিফ। তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
আইনজীবী সাইফুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, কাজে বাধা এবং আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও পাঁচটি মামলা হয়। ছয়টি মামলায় গ্রেফতার হন ৫১ জন। তাদের মধ্যে হত্যায় জড়িত অভিযোগে ২১ জন গ্রেফতার রয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au