মহাসাধক বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী: অলৌকিক সাধনা ও বিপন্ন মানুষের পরম আশ্রয়
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস ও চেতনার দিগন্তে এক ধ্রুবতারার নাম লোকনাথ ব্রহ্মচারী। আধ্যাত্মিকতার এমন এক উচ্চ শিখরে তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন, যেখানে অসীম করুণা আর অলৌকিক শক্তির…
ঢাকা, ৯ জুলাই-
মালয়েশিয়ায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ বাংলাদেশিকে দেশটির দুটি আলাদা কারাগারে রাখা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে বুধবার (৯ জুলাই) যাচ্ছেন কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনের কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সরকারের দায়িত্বশীল একটি সূত্র প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, কারাগারে থাকা ওই পাঁচ বাংলাদেশিকে ‘কনস্যুলার সেবা’ দেবে বাংলাদেশ হাইকমিশন। দেশটির কারা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অনুমতি দিয়েছে। হাইকমিশনের কর্মকর্তারা যাচ্ছেন দেখতে, তাঁদের কোনো আইনি সহায়তা বা মৌলিক
সেবার প্রয়োজন আছে কি না। একই সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের বক্তব্য শুনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিলে মালয়েশিয়া পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে দুজন বর্তমানে সেলাঙ্গর কারাগারে এবং বাকি তিনজন রয়েছেন জোহর বারু কারাগারে।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ জুন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল জানিয়েছেন, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মালয়েশিয়ায় ৩৬ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল থেকে সেলাঙ্গর ও জোহর অঞ্চলে তিন ধাপে এই অভিযান চালায় মালয়েশিয়ার পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া ৩৬ জনের মধ্যে পাঁচজনকে সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। আর ১৫ জনকে মালয়েশিয়া থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৬ জনের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তদন্ত চলছে।
কুয়ালালামপুর হাইকমিশনের একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসলে ওই অভিযানে মোট ৩৫ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১৪ জনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় অবৈধভাবে দেশটিতে অবস্থানের দায়ে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই ১৪ জনের মধ্যে ছয়জনকে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁদের বিষয়ে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা অনানুষ্ঠানিকভাবে খোঁজ নিয়েছিল যে, আগে কখনো তাঁরা বাংলাদেশে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কি না। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ তালিকায় থাকা কারও বিরুদ্ধে দেশে এমন কোনো অভিযোগ নেই।
তবে হাইকমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি যে, মালয়েশিয়ার পুলিশ বড় ধরনের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে। ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের কূটনৈতিক সূত্র বলছে, আটক ব্যক্তিদের জন্য সহায়তা চেয়ে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ে বারবার যোগাযোগ করা হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী সাড়া পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সব ধরনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও আইনি সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au