মহাসাধক বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী: অলৌকিক সাধনা ও বিপন্ন মানুষের পরম আশ্রয়
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস ও চেতনার দিগন্তে এক ধ্রুবতারার নাম লোকনাথ ব্রহ্মচারী। আধ্যাত্মিকতার এমন এক উচ্চ শিখরে তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন, যেখানে অসীম করুণা আর অলৌকিক শক্তির…
ঢাকা, ৯ এপ্রিল-
কুমিল্লার মুরাদনগরে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তি হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া শাহ পরানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শাহ পরান ওই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ফজর আলীর ছোট ভাই।
আজ বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শুনানি শেষে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মমিনুল হক এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শুনানির সময় শাহ পরান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান।
পরিদর্শক সাদেকুর রহমান জানান, গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুরাদনগর থানার উপপরিদর্শক রুহুল আমীন শাহ পরানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আজ শুনানির পর আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে শাহ পরানকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা তাকে সেখান থেকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলার বুড়িচং উপজেলা এলাকা থেকে শাহ পরানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরদিন ঢাকায় র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয় এবং শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে মুরাদনগর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর শনিবার শাহ পরানকে নারী নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এই মামলায় এখন পর্যন্ত শাহ পরানসহ পাঁচজন কারাগারে রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে গত ২৬ জুন দিবাগত রাতে, উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি গ্রামে। সুদের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে ফজর আলী নামে এক ব্যক্তি ভুক্তভোগীর বাবার ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় কয়েক যুবক ফজর আলীর পাশাপাশি ওই নারীকেও বিবস্ত্র অবস্থায় মারধর করেন। সেই নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ২৭ জুন ধর্ষণের অভিযোগে এবং ২৯ জুন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় নারী নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনে থানায় দুটি মামলা করেন। ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজনের পিটুনিতে ফজর আলীর হাত-পা ভেঙে যায়, বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে, এবং দ্রুত তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাচ্ছে স্থানীয়রা।
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au