মণিপুরে যৌথ অভিযানে দুই সশস্ত্র সদস্য নিহত, আহত দুই
মণিপুরের চূড়াচাঁদপুর জেলায় ভারতীয় সেনাবাহিনী ও আসাম রাইফেলসের যৌথ অভিযানে ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মির (ইউকেএনএ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও দুজন আহত হয়েছেন…
মেলবোর্ন, ১৯ জুলাই-
পাটনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল চন্দন মিশ্র নামে এক কুখ্যাত গ্যাংস্টারকে। ঘটনার কয়েকদিন পর শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে বিহার পুলিশ ও পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনই ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এদের মধ্যে চারজন সরাসরি গুলি চালিয়েছিল। আর একজন তাদের সাহায্য করেছে। পাটনা থেকে পালিয়ে তারা নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটে লুকিয়ে ছিল। ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চন্দন মিশ্রর বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধে মোট ২৪টি মামলা ছিল। তিনি বিচারাধীন অবস্থায় চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল পরোলে পাটনার রুবান হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। গত সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে চারজন অস্ত্রধারী সোজা হাসপাতালের আইসিইউতে ঢুকে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে তাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলাকারীরা মুখে মাস্ক পরে হাসপাতালে ঢোকে এবং একে একে গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে পুরো হাসপাতাল এলাকা কেঁপে ওঠে। ঘটনার পর থেকেই পুলিশ অনুসন্ধানে নামে এবং দুই রাজ্যের যৌথ অভিযানে নিউ টাউনের একটি বাড়ি থেকে অভিযুক্তদের আটক করে।
চন্দনের পরিবারের দাবি, এটি ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পেছনে রয়েছে প্রতিপক্ষ গ্যাং। পুলিশের ধারণা, হাসপাতালের ভিতরের অনেক তথ্য হামলাকারীদের আগে থেকেই জানা ছিল। কেউ হয়তো ভেতর থেকে সাহায্য করেছে। সেই দিকেও তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনকে পাটনায় নিয়ে যাওয়া হবে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যার পেছনের মূল পরিকল্পনাকারী এবং মদতদাতাদের খোঁজ বের করার চেষ্টা করা হবে।
এই ঘটনার পর হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে অস্ত্রধারীরা এত সহজে আইসিইউতে ঢুকে হত্যাকাণ্ড ঘটালো, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের সমন্বয় ও দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে সংশ্লিষ্ট মহল।
এ ঘটনায় গোটা বিহারজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au