প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্ডিনান্ড মার্কোস জুনিয়রকে স্বাগত জানাচ্ছেন; ছবিঃ রয়টার্স
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই-
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ফিলিপাইন থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্ডিনান্ড মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ট্রাম্প তার নিজস্ব ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে কোনও শুল্ক থাকবে না, তবে ফিলিপাইনের পণ্যগুলোর ওপর এই নতুন শুল্ক কার্যকর হবে।
এর আগে এক প্রচারণা সমাবেশে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে স্বল্প দামে পণ্য বিক্রি করে মার্কিন উৎপাদন খাতকে শোষণ করছে। তিনি বলেন, “আমরা তা আর হতে দেব না। আমাদের কৃষক ও শ্রমজীবীদের রক্ষা করবো, আমেরিকাকে আবার মহান করবো।” ট্রাম্প দাবি করেন, তার শাসনামলে চীন ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধে কঠোর শুল্ক আরোপের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন শিল্প ঘুরে দাঁড়িয়েছিল।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনের মধ্যে কোনো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি না থাকলেও, কিছু পণ্যে শুল্ক ছাড় প্রযোজ্য রয়েছে। ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন শুল্কনীতি কার্যকর হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এ বিষয়ে এখনো ফিলিপাইন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি সবসময়ই ছিল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির ওপর ভিত্তি করে। তিনি বিদেশি প্রতিযোগিতা থেকে মার্কিন শিল্প ও কর্মসংস্থানকে রক্ষা করতে উচ্চ শুল্ক, বাণিজ্য চুক্তি পুনঃমূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। যদিও তার সমালোচকেরা এটিকে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার জন্য হুমকি মনে করেন, তবুও সমর্থকদের মতে, এই নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর।
সুত্রঃ রয়টার্স