সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ১ ও আহত ৮
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। বুধবার…
গাজীপুরের চন্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে অগ্রগতি এসেছে। হানিট্র্যাপ থেকে ঘটনার সূত্রপাত বলে জানিয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন পাঁচজনকে আটক করেছে। সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে তাদের মিলিয়ে শনাক্তকরণের কাজ চলছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (ক্রাইম) রবিউল হাসান বলেন, আমরা খুব সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছি যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি এ মামলায় জড়িয়ে না যায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে সাংবাদিক তুহিনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। আর শুক্রবার সকালে এ ঘটনায় বাসন থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। ওই মামলায় ২০ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
রবিউল হাসান বলেন, তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল এক হানিট্র্যাপ থেকে। গোলাপি নামে এক নারী বাদশা নামের একজনকে প্রলোভনে ফেলে। ওই নারীর সঙ্গে থাকা সশস্ত্র যুবকরা বাদশাকে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকে। কাছাকাছি দাঁড়িয়ে মোবাইলে দৃশ্যটি ধারণ করছিলেন সাংবাদিক তুহিন। এ সময় হামলাকারীরা তার ওপর চড়াও হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
তিনি আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, দাড়িওয়ালা ও মাথায় ক্যাপ পরা ফয়সাল ওরফে কেটু মিজান চাপাতি হাতে দৌড়াচ্ছে। তার সঙ্গে শাহজামাল, বুলেট ও সুজনসহ আরও কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকিদের পরিচয় উদঘাটনের জন্য কাজ চলছে।
পুলিশের একাধিক টিম এখনো পলাতক গোলাপি ও চিহ্নিত আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au