শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী, বুধবার থেকেই কার্যত শাটডাউন শুরু হয়েছে। ছবিঃ সংগৃহীত
মেলবর্ন, ২৮ আগষ্ট- বুয়েটসহ দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দফা দাবিতে চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’। বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
আজ বুয়েটে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ক্লাস ছিল না, তবে পরীক্ষার দিন হওয়ায় সব পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্মকর্তা–কর্মচারীরা নিয়মিত কাজে এলেও কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে আসেননি। শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী, বুধবার থেকেই কার্যত শাটডাউন শুরু হয়েছে।
আন্দোলনরত প্ল্যাটফর্ম প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন গতকাল রাতে সংবাদ সম্মেলন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে। এর আগে মঙ্গলবার বিকেল থেকে বুয়েট শিক্ষার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন।
বুধবার সকালে শিক্ষার্থীরা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। পরে দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তারা। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে শিক্ষার্থীদের ওপর সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। লাঠিপেটার ঘটনাও ঘটে। এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হন।
পরে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আবারও শাহবাগে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১০টার পর তারা সেখান থেকে সরে যান। একই রাতে শাহবাগে সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ওয়ালী উল্লাহ জানান, আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের কাউন্সিল হলে সভা হবে। সেখানেই পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এ সময় বুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স কার্যকর করার ঘোষণা দেন।
চলমান আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দাবিগুলো হলো-
১. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটদের জন্য নির্দিষ্ট চাকরির ক্ষেত্র সংরক্ষণ।
২. প্রকৌশলীদের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে কোটা ও বৈষম্য দূরীকরণ।
৩. ‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদবি ব্যবহারে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন।