জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ৫ সেপ্টেম্বর- বাংলাদেশে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত হলে রাজপথে বিক্ষোভ এবং তা থেকে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশ্লেষক মাইকেল কুগেলম্যান।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সাময়িকী ফরেন পলিসি–র গত বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সাউথ এশিয়া ব্রিফ–এ কুগেলম্যান এই মূল্যায়ন দেন। তিনি ফরেন পলিসির সাপ্তাহিক এ ব্রিফের লেখক এবং দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে নিয়মিত লিখছেন।
কুগেলম্যান লিখেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই একটি আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ঘোষণা করেছে। তাতে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের কথা রয়েছে। তিনি মনে করেন, এ নির্বাচন দেশের জনগণের জন্য স্বস্তির বিষয় হবে। অধিকাংশ মানুষই চায় নির্বাচনী প্রক্রিয়া সঠিকভাবে এগিয়ে যাক এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজন হোক।
বিশ্লেষণে তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে এক বছর পূর্ণ করেছে। অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের কারণে জনগণের মধ্যে এই সরকারের প্রতি অধৈর্যতা বাড়ছে।
গত সপ্তাহে ঢাকায় অবস্থানকালে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে তার কথা হয়েছে বলে জানান কুগেলম্যান। তাঁদের মতে, বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হয়তো নির্বাচন বিলম্বিত করতে আগ্রহী। এসব পক্ষের মধ্যে রয়েছেন গত বছরের ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা নতুন রাজনৈতিক দলের নেতারা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু প্রভাবশালী সদস্য।
তবে কুগেলম্যানের মতে, সেনাবাহিনী, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যান্য প্রধান অংশীজনেরা নির্বাচন আয়োজনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মনে হচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন না হলে রাজপথে আন্দোলন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, আর সেখান থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।
সুত্রঃ প্রথম আলো
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au