জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ৮ সেপ্টেম্বর- হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মনতলা মেরাশানি গ্রামের গৃহবধূ মাধবী রাণী দাস (৩২) এবং তার সাত বছরের কন্যা হিমাদ্রী রাণী দাস মুন নিখোঁজ হওয়ার সাত দিন পার হলেও তাদের কোনো সন্ধান মিলছে না।
পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দিন দিন বাড়ছে।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট (শনিবার) সকালে নরসিংদীর মাধবদী থেকে মাধবপুরের উদ্দেশ্যে বাসে রওনা হয়েছিলেন মাধবী ও তার মেয়ে।
তাদের সঙ্গে ছিলেন স্বামী বিভু দত্ত। ঢাকা-সুনামগঞ্জ রুটের একটি যাত্রীবাহী বাসে ওঠেন তারা। সকাল ৯টার দিকে স্বামী বিভুর সঙ্গে শেষবার মোবাইল ফোনে কথা হয় মাধবীর। সেই কলের পর থেকে আর যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। এরপর থেকেই মাধবী ও হিমাদ্রীকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
দিনভর খোঁজাখুঁজির পরও স্ত্রী ও সন্তান ফিরে না আসায় বিভু দত্ত পরদিন মাধবদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী কখনো কারও সঙ্গে ঝগড়া করতেন না, কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতাও ছিল না। আমি শুধু চাই ওরা ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক। প্রতিটি মুহূর্ত দুশ্চিন্তায় কাটছে।”
এদিকে মাধবীর পরিবার ও স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, কোনো অপরাধীচক্র হয়তো মাধবী ও তার শিশুকে অপহরণ করেছে। ফলে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
নরসিংদীর মাধবদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত চলছে। সম্ভাব্য সব জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। নিখোঁজ মা ও শিশুকে উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।”
এলাকাবাসী জানান, মা–মেয়ের নিখোঁজ হওয়া শুধু পরিবারকেই নয়, পুরো গ্রামকে অস্থির করে তুলেছে। সবাই অপেক্ষায় আছেন—কবে মাধবী ও ছোট্ট হিমাদ্রীকে ফিরে পাওয়া যাবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au