জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ৯ সেপ্টেম্বর- বাংলাদেশের রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার মাজারে হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন ও পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় স্থানীয় এক মসজিদের ইমামসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোয়ালন্দে সংঘটিত ভয়াবহ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৮ জনের মধ্যে স্থানীয় মসজিদের ইমাম লতিফ হুজুরও রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। মঙ্গলবার ভোরে তাকে মানিকগঞ্জের চর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আজাদ মোল্লা (৫৫) সোমবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লাশ উত্তোলন ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৫ সেপ্টেম্বর জুমার নামাজের পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নুরাল পাগলার দরবারে বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালায়। তারা দরবারে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় নুরাল পাগলার ভক্তদের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত হন এবং উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হন।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয় ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। হামলাকারীরা পরে কবর থেকে নুরাল পাগলার মরদেহ তুলে পুড়িয়ে ফেলে, যা সারাদেশে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও অভিযুক্তদের শনাক্তের কাজ চলছে এবং দোষীদের আইনের মুখোমুখি করা হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au