জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ৯ সেপ্টেম্বর- গাজার সবচেয়ে বড় নগরী গাজা সিটির সব বাসিন্দাকে অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ নির্দেশ জারি করে জানানো হয়, ওই এলাকায় তারা “প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে” সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েল গাজা সিটিতে হামলা জোরদার করেছে। এর আগে তারা ঘোষণা দিয়েছিল, নগরীটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। উত্তর গাজার এ নগরী দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে পালিয়ে আসা লক্ষাধিক মানুষ গাজা সিটিতে তাবু টাঙিয়ে বসবাস করছে।
তবে স্যাটেলাইট দেখা গেছে, গত এক মাসে ইসরায়েলি হামলার পর সারি সারি এসব তাবু উধাও হয়ে গেছে। বিবিসি ভেরিফাইয়ের প্রতিবেদনে তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
জাতিসংঘ-সমর্থিত ‘ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন’ (IPC) সংস্থা ইতিপূর্বে গাজা সিটিকে দুর্ভিক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। গত আগস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছিল, গাজা সিটির মানুষজন দুর্ভিক্ষজনিত “অনাহার, চরম দারিদ্র্য ও মৃত্যু”র মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ ক্ষুধা-দুর্ভিক্ষে ভুগছে।
তারপরও অনেকে সরে যেতে চাইছেন না। কারণ দক্ষিণ গাজার হাসপাতালগুলো ইতিমধ্যেই রোগীতে উপচে পড়ছে, আশ্রয়কেন্দ্রেরও চরম অভাব।
এদিকে, নতুন করে গাজা সিটিতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সংঘাতের কারণে স্থানচ্যুত মানুষের তাবুগুলোও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অপুষ্টিতে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গাজায় অপুষ্টিজনিত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯৯ জনে। এর মধ্যে ১৪০ জন শিশু রয়েছে।
নিত্যনতুন হামলা ও স্থানত্যাগের নির্দেশের কারণে গাজা সিটির পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au