পুলিশের গুলিতে নিহত ইসরাইলি সেনা
ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর নেতানিয়ায় পুলিশের গুলিতে এক ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শহরের কিরিয়াত হাশারোন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে…
মেলবোর্ন, ১১ সেপ্টেম্বর- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদল–সমর্থিত সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী শেখ সাদী হাসান। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, ছাত্রশিবির কারচুপির মাধ্যমে জয়ের জন্য নীলনকশা তৈরি করেছে।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তিনি।
৩৩ বছর পর আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন। সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
লিখিত বক্তব্যে শেখ সাদী হাসান বলেন, “জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জাকসু প্যানেল ঘোষণার পর থেকেই আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিপুল সাড়া পেয়ে আমরা যখন পূর্ণ প্যানেলে বিজয়ের আশা করছি, ঠিক সে সময় ভোটগ্রহণের আগের রাতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখতে পাই যে জামায়াতে ইসলামীর একটি কোম্পানি থেকে যথাযথ ক্রয় প্রক্রিয়া ছাড়াই নির্বাচন কমিশন ব্যালট পেপার ও ভোট গণনার জন্য ওএমআর মেশিন সংগ্রহ করেছে।”
তিনি দাবি করেন, ছাত্রশিবিরকে জয়ী করার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। “আমরা ভোট গণনায় কারচুপির আশঙ্কা করেছিলাম। বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চাপে নির্বাচন কমিশন ওএমআর মেশিনে ভোট গণনা না করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে একই কোম্পানির সরবরাহকৃত ব্যালট পেপার দিয়েই আজকের নির্বাচন হচ্ছে,” বলেন তিনি।
শেখ সাদী হাসান আরও অভিযোগ করেন, “ছাত্রশিবির তাদের নিজস্ব কোম্পানি থেকে আলাদা করে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করে কারচুপির নীলনকশা করেছে। আমরা নতুন ব্যালট পেপারের দাবি জানিয়েছিলাম, কিন্তু নির্বাচন কমিশন আমাদের দাবি উপেক্ষা করে জামায়াত–শিবিরের কোম্পানির ব্যালট দিয়েই ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। এই পক্ষপাতমূলক আচরণের নিন্দা জানাচ্ছি। তারপরও আশা রাখছি, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে এবং শিবিরের নীলনকশা বাস্তবায়নে কোনো অপতৎপরতা চালাবে না।”
তিনি অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসের আশপাশে জামায়াত–শিবিরের অনেক নেতা-কর্মী জড়ো হয়েছেন, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত করছে। তার ভাষায়, “আমরা শুনতে পাচ্ছি, জামায়াত–শিবিরের অনেক নেতা-কর্মী ক্যাম্পাসের আশপাশে অবস্থান করছেন। এতে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হতে পারেন।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au