তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান চীনের
মেলবোর্ন,২ জুলাই- তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ানকে ঘিরে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি…
মেলবোর্ন, ১৩ সেপ্টেম্বর- প্রাণঘাতী বিক্ষোভে সরকারের পতনের পর নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় শুক্রবার এক ঘোষণায় জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৯টায় তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।
প্রেসিডেন্টের প্রেস উপদেষ্টা কিরণ পোখারেল জানান, প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাউডেল সাবেক প্রধান বিচারপতিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। এর পরপরই একটি নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।
জেন-জি আন্দোলনের অন্যতম নেতা নিমেশ শ্রেষ্ঠা বলেন,
“আমাদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। সংসদ ভেঙে দেওয়া হবে এবং সুশীলা কার্কি প্রধানমন্ত্রী হবেন।”
২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত সুশীলা কার্কি নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্বকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের জন্য তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তার রায়ে তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী জয়প্রকাশ প্রসাদ গুপ্ত দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন এবং দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষের এক প্রভাবশালী প্রধান অপসারিত হন।
তবে এসব রায়ের কারণে তাকে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগে অভিশংসনের প্রক্রিয়ার মুখে পড়তে হয়েছিল এবং একপর্যায়ে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়।
কৃষক পরিবারের সন্তান কার্কি সাত ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়। তার পরিবারের সঙ্গে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিপি কৈরালার পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। কৈরালা ১৯৫৯ থেকে ১৯৬০ পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
কার্কি ১৯৭২ সালে মাহেন্দ্র মোরং ক্যাম্পাস থেকে বিএ পাস করেন। পরে ভারতের বানারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক বিজ্ঞানে এমএ এবং ১৯৭৮ সালে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনশাস্ত্রে ডিগ্রি অর্জন করেন।
নেপালের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ করতে আজ রাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেবেন সুশীলা কার্কি।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au