জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর- পোল্যান্ডের পর এবার রোমানিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে রাশিয়ার একটি ড্রোন। সেটিকে অনুসরণ করতে দুটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ও দুটি ইউরোফাইটার মোতায়েন করে দেশটি। গত শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় রাশিয়া যুদ্ধকে আরও বিস্তৃত করছে বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। এ সময় পোল্যান্ডও ড্রোন হামলার শঙ্কায় পূর্বাঞ্চলীয় লুবলিন শহরের বিমানবন্দর বন্ধ করে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।
রোমানিয়া জানায়, শনিবার গভীর রাতে আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ শনাক্ত হওয়ার পরপরই দুটি এফ-১৬ এবং দুটি জার্মান ইউরোফাইটার যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়। পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কিছুক্ষণ পর ড্রোনটি সীমান্তবর্তী চিলিয়া ভেচে গ্রামে রাডার থেকে হারিয়ে যায়।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োনুত মোস্তেয়ানু বলেন, রোমানিয়ার যুদ্ধবিমানগুলো ড্রোনটিকে নামানোর কাছাকাছি অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল। সীমান্ত এলাকায় ড্রোনের টুকরো পড়েছে কিনা, তা খুঁজে দেখতে হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, ড্রোনটি প্রায় ১০ কিলোমিটার রোমানিয়ার ভেতরে প্রবেশ করে এবং ন্যাটোর আকাশসীমায় প্রায় ৫০ মিনিট সক্রিয় ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ‘রাশিয়া জানে তাদের ড্রোন কোথায় যাচ্ছে। এটি যুদ্ধের স্পষ্ট সম্প্রসারণ।’
এর আগে পোল্যান্ডের আকাশসীমায় প্রবেশ করা রুশ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। ঘটনাটি ছিল ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রে প্রথম সরাসরি হামলা। এর পর থেকেই ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেনসহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ পোল্যান্ডের আকাশসীমা রক্ষায় বাড়তি সহায়তা দিচ্ছে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সব ন্যাটো দেশ একসঙ্গে পদক্ষেপ নিলে এবং রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলে তিনি বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিতে প্রস্তুত। এর পর জেলেনস্কিও মিত্র দেশগুলোকে রুশ তেল কেনা বন্ধ করার আহ্বান জানান। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, আমি সব অংশীদার– ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, জি৭, জি২০-কে আহ্বান জানাই, নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার অজুহাত খোঁজা বন্ধ করুন। রুশ তেলের ব্যবহার কমানো জরুরি, আর এটি অবশ্যই রাশিয়ার যুদ্ধ করার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে।
সিএনএন জানায়, ইউক্রেনের সেনাবাহিনী রাশিয়ার বাশকোরতোস্তান প্রদেশের রাজধানী উফার একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই শোধনাগারটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম তেল পরিশোধন কারখানা। এই হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ড্রোন হামলার ফলে শোধনাগারটির একটি অংশে আগুন ধরে গিয়েছিল, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
সুত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au