জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ১৫ সেপ্টেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রে ছোট প্যাকেজের ওপর কর অব্যাহতি শেষ হওয়ায় বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পার্সেল পাঠানো বন্ধ রেখেছে। ২৮ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোস্টাল পার্সেল পাঠানো বন্ধ রয়েছে। ২৯ আগস্ট থেকে ৮০০ ডলারের কম মূল্যের আমদানিকৃত পণ্যের ওপরও শুল্ক আরোপ ও কাস্টমসের কড়াকড়ি শুরু হয়েছে।
শুল্ক অব্যাহতি উঠে যাওয়ায় খরচ বেড়ে যাওয়ায় হাজারো ছোট ব্যবসায়ী এবং পরিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্যাকেজ পাঠাতে সমস্যার মুখে পড়েছে। ঢাকার অনলাইন বিক্রেতারা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা যারা প্রবাসী বাজার, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কাছে পণ্য পাঠাতে ডাক ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল, তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
মিরপুরের অনলাইন ক্রাফট হাউস ‘ফিনারি’-এর মালিক ড. চিং বলেন, ‘এই মাসের প্রথম দিন থেকে পাঠানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু কোনো পার্সেল পাঠানো যায়নি। ডাক অফিস বারবার বলছে যুক্তরাষ্ট্রের পার্সেল গ্রহণ বন্ধ।’
বিশ্বব্যাপী প্রভাবও পড়েছে। ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (UPU) জানিয়েছে, ২৯ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বব্যাপী পোস্টাল পার্সেল ট্র্যাফিক এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ৮১ শতাংশ কমেছে। বাংলাদেশসহ অন্তত ৮৮টি দেশ তাদের পোস্টাল পরিষেবা স্থগিত বা সীমিত করেছে।
ঢাকা জিপিওর একজন কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন প্রায় ১৫০টি পার্সেল বিদেশে পাঠানো হয়, যার এক-তৃতীয়াংশই যুক্তরাষ্ট্রে যায়। তবে নতুন শুল্ক ব্যবস্থার কারণে পার্সেল পাঠানো এখন প্রায় অসম্ভব।
ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক প্রেরণার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। পুরান ঢাকার কাপড় ব্যবসায়ী তারেক আজিজ বলেন, বিদেশে গ্রাহকদের কাছে শাড়ি ও সালোয়ার কামিজ পাঠাতে না পারায় তাকে অর্ডার বাতিল করতে হয়েছে। পান্থপথের প্রলয় কুমারের মতো পরিবারের সদস্য যারা দেশে নেই, তারা পোস্টাল সেবার ওপর নির্ভরশীল। বেসরকারি কুরিয়ার এখন অনেক ব্যয়বহুল।
ডাক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডাক পরিষেবা) পারভীন বানু জানিয়েছেন, মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আশাকরা যাচ্ছে, শিগগিরই পার্সেল সার্ভিস পুনরায় চালু হবে।
এদিকে, ডিএইচএল ও ফেডেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সেবা চালু থাকলেও খরচ অনেক বেশি। আগে জিপিওর মাধ্যমে দুই কেজি পার্সেল পাঠাতে খরচ হতো ২–৩ হাজার টাকা, এখন বেসরকারি কুরিয়ারের মাধ্যমে তা ৭–১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
ফেডেক্স ও ডিএইচএল কর্মকর্তারা জানান, উচ্চমূল্যের পার্সেলের ওপর ৩০ শতাংশ কর আরোপের কারণে পার্সেল পাঠানো কমেছে, তবে ব্যক্তিগত পার্সেল পাঠানোতে কোনো বাধা নেই
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au