তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান চীনের
মেলবোর্ন,২ জুলাই- তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ানকে ঘিরে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি…
মেলবোর্ন, ১৬ সেপ্টেম্বর- ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের নেতাদের প্রতি নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “হামাসের নেতারা যেখানেই থাকুন না কেন, রেহাই পাবেন না।”
গতকাল সোমবার জেরুজালেমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সতর্কবার্তা দেন তিনি। এ সময় তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েল সফররত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। নেতানিয়াহু বলেন, প্রতিটি দেশেরই প্রয়োজনে নিজস্ব সীমান্তের বাইরে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহে কাতারে হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হলেও শীর্ষ নেতারা বেঁচে যান। এই হামলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এমনকি ঘনিষ্ঠ মিত্রদেশ কাতারের মাটিতে হামলার নিন্দা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি কাতারকে আশ্বস্ত করেছেন, দেশটির ভেতরে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।
তবে হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা নিজেরাই এটি করেছি।”
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক অটুট রয়েছে। ইসরায়েল সফর শেষে তিনি কাতারে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
এই বৈঠক এমন সময়ে হলো, যখন দোহায় আরব ও মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলনে নেতারা একযোগে কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কাতারের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্বিমুখী নীতি পরিহার করে ইসরায়েলকে শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
কাতার বর্তমানে গাজায় যুদ্ধ বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে। দেশটি হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে এবং ২০১২ সাল থেকে হামাসের রাজনৈতিক দপ্তরও দোহায় অবস্থিত। এছাড়া কাতারের মাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি রয়েছে, যা অঞ্চলটির ভূরাজনীতিতে দেশটির অবস্থানকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au