তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান চীনের
মেলবোর্ন,২ জুলাই- তাইওয়ান ইস্যুতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়েছে চীন। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ানকে ঘিরে যেকোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি…
মেলবোর্ন, ১৭ সেপ্টেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী ও টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএর প্রতিষ্ঠাতা চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ডে মূল সন্দেহভাজন টাইলার রবিনসনের প্রথম শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ভিডিও লিংকের মাধ্যমে আদালতে হাজির হন তিনি। এসময় কৌঁসুলিরা তাঁর মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান।
১০ সেপ্টেম্বর ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার সময় ৩১ বছর বয়সী চার্লি কার্ককে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং দেশজুড়ে জনমত বিভক্ত করে তুলেছে।
ভিডিও শুনানিতে রবিনসনকে আত্মহত্যা–প্রতিরোধী পোশাক পরতে দেখা যায়। তাঁর বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর হলো অ্যাগ্রাভেটেড মার্ডার বা গুরুতর হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ। অন্য অভিযোগগুলোর মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি এবং সাক্ষীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত।
শুনানিতে রবিনসনের কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তিনি কেবল নিজের নাম বলেন এবং বাকিটা সময় নীরব থাকেন। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
ইউটাহ কাউন্টির অ্যাটর্নি জেফ গ্রে সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি রবিনসনের মৃত্যুদণ্ডের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছেন। তাঁর ভাষায়, “এটি কোনো খেয়ালি সিদ্ধান্ত নয়। বিদ্যমান প্রমাণ, পরিস্থিতি ও অপরাধের প্রকৃতির ভিত্তিতেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
সংবাদ সম্মেলনে হত্যার উদ্দেশ্য সম্পর্কেও আংশিক তথ্য প্রকাশ করেন অ্যাটর্নি গ্রে। তিনি জানান, রবিনসনের রুমমেট একজন জৈবিক পুরুষ, যিনি লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে রবিনসনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
হত্যার দিন রবিনসন রুমমেটকে বার্তায় লিখেছিলেন, তাঁর কি–বোর্ডের নিচে একটি নোট রাখা আছে। নোটে লেখা ছিল—“আমার কাছে চার্লি কার্ককে শেষ করে দেওয়ার সুযোগ এসেছে, আর আমি সেটা করতে যাচ্ছি।”
পরে রুমমেট যখন প্রশ্ন করেন কেন তিনি কার্ককে হত্যা করেছেন, তখন রবিনসন উত্তরে লিখেন, “আমি তাঁর ঘৃণা আর সহ্য করতে পারিনি। কিছু ঘৃণা কখনো আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলা যায় না।”
এরপর তিনি রুমমেটকে ওই বার্তালাপ মুছে ফেলতে বলেন।
সূত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au