জরুরি রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসকদের ছাড়িয়ে এআই
মেলবোর্ন, ২ মে- জীবন-মৃত্যুর সংকটময় মুহূর্তে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের তুলনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আরও নির্ভুল হতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।…
মেলবোর্ন, ১৮ সেপ্টেম্বর- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে পড়া এবিসি সাংবাদিক জন লায়ন্সের পাশে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা।
ঘটনাটি ঘটে হোয়াইট হাউসের লনে এক সংবাদ সম্মেলনে। জন লায়ন্স ট্রাম্পকে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে প্রশ্ন করলে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তিনি শুধু প্রশ্ন এড়িয়ে যাননি, বরং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের কাছে ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার হুমকিও দেন। এই মন্তব্য অস্ট্রেলিয়ান রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জিম চ্যালমার্স বলেন, “জন লায়ন্স কেবল তাঁর দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও প্রশ্ন করার অধিকারকে সম্মান জানানো জরুরি।”
স্বতন্ত্র সিনেটর ডেভিড পোকক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “অন্য দেশের নেতা যদি সাংবাদিককে নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নালিশ করেন, সেটি মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।”
গ্রিনস দলের সিনেটর সারাহ হ্যানসন-ইয়ং এ ঘটনাকে “মিডিয়াকে ভয় দেখানোর চেষ্টা” বলে অভিহিত করেন।
তবে লিবারেল পার্টির সিনেটর সারাহ হেন্ডারসন এবিসিকে সাংবাদিকের প্রশ্নের ধরন নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেন। অন্যদিকে ন্যাশনালস নেত্রী ব্রিজেট ম্যাকেঞ্জি লায়ন্সের পক্ষ নিয়ে মন্তব্য করেন, “কঠিন প্রশ্ন করা সাংবাদিকদের কাজের অংশ। এতে দোষের কিছু নেই।”
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জন লায়ন্স বলেন, তাঁর প্রশ্ন ছিল একেবারেই স্বাভাবিক, গবেষণার ভিত্তিতে করা এবং কোনোভাবেই অভদ্র নয়। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “যদি এমন প্রশ্ন করার কারণে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়ে যায়, তবে সেটা গণমাধ্যমের জন্য এক অন্ধকার দিন হবে।”
অস্ট্রেলিয়ায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au