মোহাম্মদ হাজ্জাজ জানান আশ্রয়কেন্দ্রে হামলায় তার আত্মীয়স্বজন নিহত হয়েছেন । ছবিঃ বিবিসি
মেলবোর্ন, ২৫ সেপ্টেম্বর- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যুদ্ধবিরতির আহ্বান উপেক্ষা করে গাজায় আবারও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বুধবারের হামলায় অন্তত ৮৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যা আগের দিনের তুলনায় দ্বিগুণ।
রাতের দিকে গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরের আল-আহলি স্টেডিয়ামে এক বিমান হামলায় অন্তত ১২ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে সাতজন নারী ও দুটি শিশু রয়েছে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় হিসেবে স্টেডিয়ামটি ব্যবহার করছিল।
গাজা সিটি থেকে পালিয়ে আসা নাজওয়া নামে এক নারী বলেন, “আমার হাতে যা ছিল, তা নিয়েই পালিয়েছি। আমাদের ভয় লাগছে। পরিবহনের খরচ অনেক বেশি, তাই জিনিসপত্র আনা সম্ভব হয়নি।”
জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, ইসরায়েলি সেনারা গাজার সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দক্ষিণে পালাতে বাধ্য করছেন। তবে ইসরায়েলি সেনাপ্রধান আইয়াল জামির দাবি করেছেন, অধিকাংশ মানুষ ইতিমধ্যে দক্ষিণে চলে গেছেন এবং সেনাদের “পদ্ধতিগত ও সুসংগঠিত অগ্রযাত্রা” অব্যাহত থাকবে। জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন এ দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৫ হাজার ৪১৯ ফিলিস্তিনি নিহত ও ১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে আরও বহু মানুষ আটকা রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওই সময় হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলায় ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হওয়ার পর ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে।
সুত্রঃ আল–জাজিরা