হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়াল
মেলবোর্ন, ২৭ জুন- দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে হামের…
মেলবোর্ন, ৪ নভেম্বর- ইসরায়েলে এক সরকারি প্রসিকিউটরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কারণ, সে দেশের কারাগার থেকে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নির্যাতনের অভিযোগসম্বলিত একটি ভিডিও ফাঁস করার মধ্যে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক সূত্র বলছে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরে বিষয়টি ওপরতল থেকে বেশ তোলপাড় সৃষ্টি করে এবং তদন্তে তা ই ছাত্রচূড়ায় পৌঁছে।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা ও বিচার বিভাগীয় সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর প্রসিকিউটরকে অস্থায়ীভাবে পদচ্যুত করা হয়েছে এবং তাকে বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানের আওতায় রাখা হয়েছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, চলমান তদন্তে ভিডিওটি কীভাবে ফাঁস করা হয়েছে, প্রসিকিউটরের ভূমিকা কী ছিল এবং কারা-কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ভিডিওটিতে যে দৃশ্যগুলো দেখা যাচ্ছে সেগুলো সম্পর্কে সরকারি পক্ষ এখনও পুরোপুরি মন্তব্য করেনি; তবে প্রতিরক্ষা ও বিচার সংক্রান্ত বিভিন্ন অফিসীয় বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যদি কেউ আইনের পরিধি অতিক্রম করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা বলেন, তদন্তে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হবে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো তৎকালে ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর তীব্র নিন্দা জানায় এবং দাবি করে যে দ্রুত ও স্বাধীন তদন্ত করা হোক, অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, এবং বন্দিদের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করা হোক। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেছেন, যদি সরকার বা দায়িত্বশীলরা লঙ্ঘনের তথ্য চাপা দেয় বা তদন্তে বাধা দেয় তবে সেটি আন্তর্জাতিক দায়িত্বেরও লঙ্ঘন হবে।
প্যালেস্টাইনি পক্ষ থেকে ভিডিওটি প্রকাশের পরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে; তাদের নেতারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে তদন্তে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক মহলে বলা হচ্ছে, এই ধরনের ঘটনা উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তার অবনতি ডেকে আনতে পারে তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, ভিডিও ফাঁস ও কারাগারে বন্দিদের প্রতি অনৈতিক আচরণের অভিযোগগুলো ব্যাপক নজর কাড়ে বিশেষত যখন সেই ভিডিও সামাজিক প্ল্যাটফর্মে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। গত কয়েক বছর ধরেই বন্দী ব্যবহারের বিষয়ে আন্তর্জাতিক নজরদারি সচেতন রয়েছে; সেজন্যই এ ধরনের ঘটনার প্রকাশ্যে আসা আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া এবং স্থানীয় রাজনৈতিক চাপ দুইই বাড়ায়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত সম্পন্ন হলে তার ফলাফল এবং গ্রহণকৃত ব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযুক্ত প্রসিকিউটরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au