মুক্তিযোদ্ধার ভাতার সঙ্গে অন্য কোনো ভাতার তুলনা চলে না: ফজলুর রহমান
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতার সঙ্গে অন্য…
মেলবোর্ন, ১৬ নভেম্বর- গাজায় অস্ত্রবিরতির মধ্যে ওষ্ঠাগত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে ইসরায়েল। হামাস ও ফিলিস্তিনি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সংঘর্ষের পরই চলতি সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা অভিযোগ করছেন, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েল শহরের অবকাঠামো ধ্বংস করতে থামেনি।
সদর দফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত তিনটি বহুতল ভবন এবং কয়েকটি বাণিজ্যিক কাঠামো ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়েছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট এবং আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভবন ধ্বংসের কারণে বহু পরিবার রাতারাতি আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির সময়ই এই ধ্বংসযজ্ঞ “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে। তারা অবিলম্বে সমস্ত স্থাপনা ধ্বংস বন্ধ করতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ত্রাণ ও সহায়তা প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছে।
আঞ্চলিক সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল তাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি ও প্রতিরোধমূলক তল্লাশির যুক্তি দেখিয়ে ভবন ধ্বংস করছে। তবে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এটিকে শাস্তিমূলক বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চালানো কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখছেন।
হামাসের মুখপাত্র যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও এই ধ্বংসযজ্ঞকে “গণবিধ্বংসী” এবং “মানবিক সংকট আরও তীব্র করার” কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, সংঘাতের প্রভাব গাজার সাধারণ মানুষকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং শান্তি ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদে ব্যাহত হচ্ছে।
সংঘাত চলাকালীন চলমান ধ্বংসযজ্ঞ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি স্থিতিশীলতা ফেরানোর প্রচেষ্টা এবং গাজার পুনর্গঠনে জটিলতা আরও বাড়াবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au