‘নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে’
রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। কয়েকটি সবজি ছাড়া অধিকাংশ সবজিই কেজিপ্রতি ৮০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায়…
মেলবোর্ন, ২২ নভেম্বর- গাজায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হলেও সহিংসতা পুরোপুরি থেমে নেই। ইউনিসেফ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর থেকে সেখানে নতুনভাবে অন্তত ৬৭ শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করা সংস্থাটি বলছে, গাজায় প্রতিদিনই আহত বা নিহত শিশুদের সংখ্যা বাড়ছে, যা পরিস্থিতির মারাত্মক মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে।
ইউনিসেফের আঞ্চলিক কার্যালয় জানায়, যুদ্ধবিরতির পরও হামলা, গুলি, ধ্বংসস্তূপ ও বিস্ফোরকের কারণে বহু শিশু প্রাণ হারাচ্ছে। গুরুতর আহত শত শত শিশুকে সীমিত চিকিৎসা সুবিধার মধ্যে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসপাতালগুলোতে ওষুধের সংকট, বিদ্যুতের ঘাটতি এবং চিকিৎসাকর্মীর অভাব পরিস্থিতিকে আরও দুর্বিষহ করেছে।
সংস্থাটি বলছে, নিরাপদ আশ্রয় আর মৌলিক সেবা না থাকায় শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিষ্কার পানি ও খাদ্য ঘাটতি অনেক পরিবারকে জীবন-মৃত্যুর সীমারেখায় দাঁড় করিয়েছে। অনেক শিশু দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক ধকলের মধ্যে থাকায় তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যও দ্রুত অবনতির দিকে যাচ্ছে।
ইউনিসেফ জানিয়েছে, বাস্তব পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে, কারণ অনেক এলাকা এখনও প্রবেশযোগ্য নয়। সেখানে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে না পারায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সংস্থাটি অবিলম্বে সহিংসতা সম্পূর্ণ বন্ধ, টেকসই যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক করিডোর নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে শিশুরাই সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছে এবং তাদের জীবন বাঁচাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au