আজ কবি সিলভিয়া প্লাথের ৯৪তম জন্মদিন
মার্কিন কবি ও ঔপন্যাসিক সিলভিয়া প্লাথের জন্মদিন আজ ২৭ অক্টোবর। ১৯৩২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টনে জন্মগ্রহণ করেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী এই…
আমহারিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিরকা জেলার তিনটি এলাকায় এসব হামলা চালানো হয়। হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচটি শিশুও রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। নিহত এক ব্যক্তির ৭৫ বছর বয়সী বাবাও হামলার শিকার হন। ওই ব্যক্তি হামলার বর্ণনা দিয়ে বলেন, তাঁরা কোনো কিছুই আগে থেকে বুঝতে পারেননি। চারদিক থেকে তাঁদের ঘিরে ফেলা হয়েছিল।
ইথিওপিয়ার অর্থোডক্স তেওয়াহেদো গির্জার পবিত্র ধর্মীয় পরিষদ এক বিবৃতিতে হামলায় বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার তথ্য জানিয়েছে। তবে কারা এই হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কিছু বলা হয়নি। গির্জার এক কর্মকর্তা জানান, নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হামলা থামাতে পারেনি।
আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় এক কর্মকর্তা এ ঘটনার জন্য সম্প্রতি গঠিত বিদ্রোহী জোট ‘অ্যালায়েন্স ফর সারভাইভাল’কে দায়ী করেছেন। এই জোটের সঙ্গে ওরোমো লিবারেশন আর্মি নামের সশস্ত্র গোষ্ঠীও যুক্ত রয়েছে। তবে গোষ্ঠীটি এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে একই ধরনের হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগও তারা অস্বীকার করেছে।
হামলার নিন্দা জানিয়ে ইথিওপিয়ার অর্থোডক্স তেওয়াহেদো গির্জা বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে খ্রিষ্টানদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে। এ ধরনের সহিংসতা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মূল্যবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে গির্জাটি আরও জানায়, বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকার নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে বারবার উদ্বেগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।
ইথিওপিয়ার মানবাধিকার পরিষদ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানায়, আগের চার বছরে ওই এলাকায় বিভিন্ন হামলায় ৪৫৮ জন নিহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক হামলাটি ওই সময়ের অন্যতম প্রাণঘাতী ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বারবার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে ইথিওপিয়ার অর্থোডক্স তেওয়াহেদো গির্জার অনুসারীরা এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। কিছু হামলাকে ধর্মীয় বিদ্বেষপ্রসূত বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে ইথিওপিয়ার সরকার এসব হামলার জন্য ওরোমো লিবারেশন আর্মিকে দায়ী করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ বলেছেন, বেসামরিক মানুষ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে সহিংসতা চালানোর মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ওরোমো জনগোষ্ঠীর অধিকারের জন্য লড়াই করার দাবি করা গোষ্ঠীটি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে ওই অঞ্চলে মুসলমানদের ওপর হামলার ঘটনাও অতীতে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিবিসির সঙ্গে কথা বলা স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিকবার জানিয়েছেন, সেখানে সংঘটিত সহিংসতার পেছনে জাতিগত ও ধর্মীয়, দুই ধরনের বিরোধই ভূমিকা রাখছে বলে তাঁরা মনে করেন।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au