সর্বশেষ

ব্যাপক খরার মধ্যেই ৭ দিন ধরে দাবানলে পুড়ছে ইরান

  • 3:03 am - November 25, 2025
  • পঠিত হয়েছে:৯৮ বার
ভূপৃষ্ঠের উৎসগুলো শুকিয়ে যাওয়া এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় গত কিছুদিন ধরে ব্যাপক খরা চলছে ইরানে।ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ২৫ নভেম্বর- তীব্র খরার মধ্যেই ইরানের একাধিক প্রদেশ টানা সাত দিন ধরে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশটির দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বনভূমি, পাহাড়ি অঞ্চল এবং কৃষিজমির বিস্তীর্ণ এলাকা পুড়ে গেছে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে দমকল, সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা যৌথভাবে কাজ করলেও কঠিন পরিস্থিতির কারণে আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি।

ইরানের জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খরা ও প্রচণ্ড তাপমাত্রার কারণে বন ও ঝোপঝাড় অত্যন্ত শুকনো হয়ে পড়েছে। ফলে অল্প সময়েই আগুন বড় আকার ধারণ করছে। কিছু এলাকায় প্রবল বাতাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

দাবানলের কারণে কয়েকটি প্রদেশে জনবসতি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যে কয়েকটি গ্রাম থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে এবং পাহাড়ি পথ দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা না গেলেও বনজ সম্পদ, বন্যপ্রাণী এবং কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।

ইরানের বন বিভাগ জানিয়েছে, চলমান খরা দেশটিকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে। চলতি গ্রীষ্মে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম হওয়ায় দেশের দক্ষিণাঞ্চল প্রায় শুকনো মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় যে কোনো স্পার্ক বা মানবসৃষ্ট অসাবধানতা বড় আগুন ডেকে আনছে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। ইরানে যেসব এলাকায় আগে স্থানীয় পর্যায়ের আগুন দেখা যেত, এখন সেখানে বড় আকারের দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে এবং এর স্থায়িত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত হেলিকপ্টার ও অগ্নিনির্বাপক দল মোতায়েন করা হয়েছে। তবে আগুন পুরোপুরি থামাতে বৃষ্টি ছাড়া স্থায়ী সমাধান দেখা যাচ্ছে না।

এই শাখার আরও খবর

ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডে প্রশ্নের মুখে ‘সংস্কারক’ ভাবমূর্তি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিচারব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং খাত ও বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছে …

হাতকড়াসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা, থানায় ধরে নেওয়া হলো ৭ স্বজনকে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের হাত থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন আওয়ামী লীগের এক নেতা। পরে তাঁকে পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে বা ঘটনার বিষয়ে তথ্য জানার…

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনে শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের বহির্বিভাগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আগুন থেকে বাঁচতে রোগী ও স্বজনেরা দ্রুত ভবন থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করার…

স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস সরিয়ে নতুন ইতিহাস তৈরির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়: তানজীমউদ্দিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালা সংস্কারের নামে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, ঘটনা ও স্মারক সরিয়ে দিয়ে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নতুন ইতিহাস তৈরির…

ব্রাজিলের জার্সিতে আর ফিরবেন না নেইমার

ব্রাজিলের জাতীয় দলের জার্সিতে নেইমারের অধ্যায় শেষ। বিশ্বকাপের পরই জাতীয় দলে আর না ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড। এবার তাঁর সেই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত…

লালদিয়া টার্মিনাল সম্প্রসারণে কর্ণফুলীতে সংকটের আশঙ্কা

চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় নির্মাণ করা হচ্ছে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল। প্রকল্পটি বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর সক্ষমতা বাড়ানো, বড় জাহাজে পণ্য পরিবহন সহজ করা…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au