ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৯৭১…
মেলবোর্ন, ২৫ নভেম্বর- তীব্র খরার মধ্যেই ইরানের একাধিক প্রদেশ টানা সাত দিন ধরে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশটির দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বনভূমি, পাহাড়ি অঞ্চল এবং কৃষিজমির বিস্তীর্ণ এলাকা পুড়ে গেছে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে দমকল, সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা যৌথভাবে কাজ করলেও কঠিন পরিস্থিতির কারণে আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি।
ইরানের জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খরা ও প্রচণ্ড তাপমাত্রার কারণে বন ও ঝোপঝাড় অত্যন্ত শুকনো হয়ে পড়েছে। ফলে অল্প সময়েই আগুন বড় আকার ধারণ করছে। কিছু এলাকায় প্রবল বাতাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
দাবানলের কারণে কয়েকটি প্রদেশে জনবসতি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যে কয়েকটি গ্রাম থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে এবং পাহাড়ি পথ দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা না গেলেও বনজ সম্পদ, বন্যপ্রাণী এবং কৃষি খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।
ইরানের বন বিভাগ জানিয়েছে, চলমান খরা দেশটিকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে। চলতি গ্রীষ্মে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম হওয়ায় দেশের দক্ষিণাঞ্চল প্রায় শুকনো মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় যে কোনো স্পার্ক বা মানবসৃষ্ট অসাবধানতা বড় আগুন ডেকে আনছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে খরা ও দাবানলের ঝুঁকি বাড়ছে। ইরানে যেসব এলাকায় আগে স্থানীয় পর্যায়ের আগুন দেখা যেত, এখন সেখানে বড় আকারের দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে এবং এর স্থায়িত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত হেলিকপ্টার ও অগ্নিনির্বাপক দল মোতায়েন করা হয়েছে। তবে আগুন পুরোপুরি থামাতে বৃষ্টি ছাড়া স্থায়ী সমাধান দেখা যাচ্ছে না।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au