আরব আমিরাতের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলার দাবি ইরানের
মেলবোর্ন, ৭ মার্চ- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শনিবার দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)…
মেলবোর্ন, ২৯ নভেম্বর- বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
শুক্রবার রাতে হাসপাতালে গিয়ে ফিরে এসে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন এবং তার শারীরিক অবস্থা একদমই ভালো নয়। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
আসিফ নজরুল আরও লেখেন, “এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছিলাম। এখনি ফিরলাম। বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা একদমই ভালো না। সবাই দোয়া করবেন উনার জন্য।”
ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রে সংক্রমণজনিত জটিলতার কারণে খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় হাসপাতালের সামনে বিএনপির নেতা কর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ নেতারা একে একে হাসপাতালে পৌঁছান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খোঁজ নিতে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে হাসপাতালে পাঠান। তাদের সঙ্গে কথা বলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শাইরুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়া সিসিইউতে মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। রাত সোয়া ১১টার দিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানসহ আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে হাসপাতালের সামনে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
হাসপাতালের সামনে অবস্থানরত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থার আপডেট জানতে অপেক্ষা করছিলেন। সেখানে কয়েকটি গণমাধ্যমের সাংবাদিকও অবস্থান করছিলেন।
দেশি বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চালাচ্ছে। দুপুরে মির্জা ফখরুল জানান, চিকিৎসকদের মতে তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চান।
প্রায় ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি সমস্যা সহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত রোববার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে দ্রুত সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তার ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রে সংক্রমণ আছে।
চিকিৎসার জন্য তিনি গত ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান এবং ১১৭ দিন অবস্থান শেষে ৬ মে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পরও তার শারীরিক অবস্থা বারবার অবনতি হওয়ায় তাকে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au