বিতর্কিত ১০০ কোটি ডলারের এলএনজি চুক্তি, বড় ধরণের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশের জ্বালানি খাত বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই রাজনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে উচ্চ ব্যয়ের একটি নতুন ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক…
মেলবোর্ন, ২৯ নভেম্বর- থাইল্যান্ডে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬২ জনে। দেশটির আটটি প্রদেশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সঙখলা প্রদেশে, যেখানে একাই মারা গেছে ১২৬ জন।
ব্যাংককে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত জানান, লাখ লাখ মানুষ ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন। অনেক এলাকা এখনো পানির নিচে, আর উদ্ধার কাজ চলমান।
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সমালোচনার মুখে পড়েছে সরকার। শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল স্বীকার করেন, বন্যা মোকাবিলায় সরকারের ঘাটতি ছিল। স্থানীয়দের কাছে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ আগামী সপ্তাহ থেকে দেওয়া শুরু হবে। এছাড়া ঋণ স্থগিত, বাড়িঘর মেরামতের জন্য স্বল্পমেয়াদি সুদবিহীন ঋণসহ অতিরিক্ত সহায়তাও দেওয়া হবে।
দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন বিভাগ জানায়, শনিবার সকাল থেকে পানি কমতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দীর্ঘদিন পানিতে ডুবে থাকা ঘরে ফিরে লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত আসবাব ও জিনিসপত্র দেখছেন।
গত সপ্তাহের শেষদিকে শুরু হওয়া এই বন্যায় হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়েন। বহু সড়ক অচল হয়ে যায়, নিচু ভবন ও যানবাহন তলিয়ে যায়। সঙখলা প্রদেশের হাট ইয়াই শহরে পানি নামার পর উদ্ধারকর্মীরা নতুন করে বহু মরদেহ পাচ্ছেন।
সরকার জানিয়েছে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় রাজা মহা বাজিরালংকর্ন হাট ইয়াই হাসপাতালে ১০ কোটি বাথ দান করবেন। বন্যায় নিহতদের দাফন এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায়ও রাজকীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
সূত্র: এপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au