রেমিট্যান্স নেবে সরকার, প্রবাসীদের মরদেহের দায় কেন নেবে না?
সৌদি আরবে দুই চ নাগরিক নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিথি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা, প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে…
মেলবোর্ন, ২ ডিসেম্বর- ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হালকা ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯। এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের ফালামে, প্রায় ১০৬ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে।
রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট বিভাগ থেকেও কাঁপুনি অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারও জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের নাচুয়াং এলাকায়। তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রভাব পড়েছে মিয়ানমার, ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চল এবং বাংলাদেশের কয়েকটি বিভাগে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত মিয়ানমার দুটি টেকটোনিক প্লেটের সীমানায় অবস্থিত। ভারত ও ইউরেশিয়া প্লেটের সংঘর্ষ এলাকায় থাকা দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।
‘সাইগং ফল্ট’ নামে পরিচিত বিশাল প্লেট-সীমানাটি মান্দালয় থেকে ইয়াঙ্গুন পর্যন্ত বিস্তৃত, যা লাখো মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।
চলতি বছরের ২৮ মার্চ মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। এর প্রভাব পড়েছিল বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও চীন পর্যন্ত। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দুই দশকে দেশটিতে এত শক্তিশালী ভূমিকম্পের আর কোনো উদাহরণ নেই।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au